নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ সেপ্টেম্বর : স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতে সরকারি পরিষেবা নিতে এসে সঠিক সময়ে পঞ্চায়েত কর্মচারীদের উপস্থিতি না থাকায় সমস্যার সম্মুখীন এলাকা সাধারণ মানুষ৷ ঘটনা মোহনপুর ব্লকের অন্তর্গত পশ্চিম ফটিকছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে৷ গ্রামীন এলাকার মানুষ বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা গ্রহণের জন্য সরাসরি গ্রাম পঞ্চায়েতের ওপর নির্ভরশীল৷ আর সেই গ্রাম পঞ্চায়েতেই যখন সকাল ১১ টা বাজতে চললেও তালা খোলার কোন লোক থাকে না তখন সেই ন্যায্য পাওনা এবং সরকারি পরিষেবা শুধুমাত্র কাগজ-কলমে আবদ্ধ হয়ে থাকে৷
বৃহস্পতিবার সকাল ১০.১০ মিনিট নাগাদ পশ্চিম ফটিকছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের এক নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিপ্লব দাস তার রেগা কাজ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য পঞ্চায়েতে আসেন৷ কিন্তু সেই সময় পঞ্চায়েতে কেউ ছিলেন না৷ তিনি দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর ১০.৫০ মিনিট নাগাদ একজন আধিকারিক এসে পঞ্চায়েতের তালা খুলেন৷ একইভাবে পঞ্চায়েতে ৬ নং ওয়ার্ডের ৮০ বছর বয়সী হরিদাসী বর্মন আসেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘরের টাকা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার জন্য৷ কিন্তু তিনিও পঞ্চায়েত বন্ধ থাকার কারণে দীর্ঘ সময় রোদ্র মাথায় নিয়ে ঠাই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হরিদাসী বর্মন৷
অন্যদিকে বিপ্লব দাস অভিযোগ করেন দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার পর এক আধিকারিক এসে পঞ্চায়েত অফিসের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলে উনাকে দেরি হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ণ করতেই উনি অত্যন্ত অশালীন আচরণ করেন৷ এমন কেউ উনার কাছে পঞ্চায়েতের জিআরএস এর ফোন নাম্বার চাওয়া হলেও তিনি তা দিতে স্বীকার করেন বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব দাসের৷ প্রশ্ণ উঠছে সকাল দশটায় অফিস খোলার পরিবর্তে প্রায় এগারোটা নাগাদ কি কারণে গড় হাজির অফিসের কর্মচারীরা৷ এলাকাবাসী দাবি পশ্চিম পটিকছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আধিকারিকরা সঠিক সময়ে অফিসে না আসার বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক মোহনপুর ডি ব্লকের বিডিও।



















