নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ জুলাই৷৷ মানব জীবনের শেষ ঠিকানা ভগ্ণ দশাগ্রস্থ৷ ঘটনা উদয়পুরের গোকুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে৷ মৃতদেহ সৎকার করতে গিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মৃতের আত্মীয় পরিজনসহ এলাকাবাসী৷ পানীয় জল রাস্তাঘাট স্বাস্থ্য কেন্দ্র কিংবা শিক্ষা ও পরিকাঠামো বৃদ্ধির জন্য নয়, এবার শ্মশানঘাট সংস্কারের জন্য জনগণকে আন্দোলনের শামিল হতে হচ্ছে৷ এ ধরনের ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক৷ ভগ্ণ দশাগ্রস্থ শ্মশানে মৃতদেহ সৎকার করতে গিয়ে ক্ষোভ ব্যক্ত করেলেন এলাকাবাসীরা৷ ঘটনা বুধবার উদয়পুর মহকুমার গকুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন আরএফ টিলা এলাকায়৷ ঘটনার বিবরণে জানায় যায়, ৩০ বাগমা বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে আরএফ টিলা এলাকায় মৃতদেহ সৎকার করার জন্য একটি শ্মশান রয়েছে৷ রাজ্যে রাষ্ট্রবাদী সরকার গঠন হওয়ার পর ধীরে ধীরে শ্মশানটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে৷ এই শ্মশানের উপর নির্ভরশীল বিস্তীর্ণ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন৷ সাধারণত এলাকাবাসী এই শ্মশানটিকে সংস্কার করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত দাবী জানিয়ে আসছিলো৷ কিন্তু কোন উদ্যোগ নেয়নি স্থানীয় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ৷ অভিযোগ গোটা রাজ্যে বিজেপি জোট সরকার গঠন হওয়ার পর একেবারেই উন্নয়নমূলক কাজ না হওয়ায় উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ৩০ বাগমা বিধানসভা৷ এই বিধানসভা কেন্দ্রে কোন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ ঘটেনি বলে অভিযোগ৷ তারই মধ্যে এই বিধানসভায় মৃত্যুর পর মৃতদেহ সৎকার করতে গেলে সাধারণ মানুষদের পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ৷ বুধবার একজনের মৃতদেহ নিয়ে সৎকার করতে গিয়ে ক্ষোভ দেখান মৃতার পরিজনরা৷ একটা সময় মৃতদেহ নিয়ে রাস্তা অবরোধ করারও পদক্ষেপ নেন৷ যদিও পরবর্তীতে তা প্রশমিত হয়৷ অভিযোগ স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে শাসক নেতাদের বারবার জানিয়ে কোন সুরাহা হচ্ছে না এই শ্মশানটি সংস্কার করার জন্য৷ তাই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীদের পক্ষে দাবি উঠি শ্মশানটি যেন দ্রুত সংস্কার করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন৷ মৃতদেহ সৎকার করতে গিয়ে আত্মীয় পরিজনরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেও তাতে কর্ণপাত করছেন না নেতা মাতববরসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা৷ এসব বিষয়ে যেন তাদের কর্ণপাত হচ্ছে না৷ অবিলম্বে শ্মশানঘাট সংস্কার করে শেষ যাত্রা পথ সুগম করার জন্য জোরালো দাবি উঠেছে৷
2022-07-20

