কলকাতা, ২৮ আগস্ট (আইএএনএস): কেন্দ্রীয় কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের ছাদে থাকা বেআইনি বিলবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস শিবির। শুক্রবার বিশেষ একক বেঞ্চে বিষয়টি নিয়ে মামলা করার অনুমতি চাওয়া হয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর বিশেষ একক বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এরপর বিচারপতি মামলা দায়েরের অনুমতি দেন। তবে শুক্রবারই জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য তৃণমূলের আবেদনের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
আদালতে তৃণমূলের আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট নাগাদ কলকাতা পুরনিগমের কর্মীরা ক্যামাক স্ট্রিটের ওই দফতরে গিয়ে বিলবোর্ডটি খুলে ফেলার কাজ শুরু করেন।
কিশোর দত্ত আরও জানান, বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর দফতরকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর তাঁকে বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর একক বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী তৃণমূলের আইনজীবী দ্রুত শুনানির আবেদন জানান।
তবে বিচারপতি বসু চৌধুরী জানান, আগে মামলা নথিভুক্ত করে মামলার নম্বর নিয়ে বেঞ্চে আসতে হবে। মামলার নম্বর ছাড়া তিনি বিষয়টি শুনতে পারবেন না বলেও জানান বিচারপতি। শুক্রবার মামলার নম্বর পাওয়ার পর শুনানি হতে পারে বলে আদালত জানায়। পাশাপাশি কলকাতা পুরনিগম এবং কলকাতা পুলিশকেও বিষয়টি জানাতে আবেদনকারীকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড সরাতে কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকরা কলকাতা পুলিশের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ড হারবারের লোকসভা সাংসদ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো।
বিলবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে দুই দফায় ধস্তাধস্তি হয়। পরে শেষ পর্যন্ত বিলবোর্ডটি সরিয়ে ফেলা হয়। ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
























