মুম্বই, ২৭ আগস্ট (আইএএনএস): ১০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের হাশিশ উদ্ধারের ঘটনায় বিহারের এক ব্যক্তিকে মূল সরবরাহকারী হিসেবে গ্রেফতার করল মুম্বই পুলিশের অ্যান্টি-নারকোটিক্স সেল (এএনসি)। বৃহস্পতিবার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নেপালে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় বিহারের পূর্ব চম্পারণ জেলার মোতিহারির কাছে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ১৭ আগস্ট বান্দ্রা টার্মিনাসের কাছে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ওরলি ইউনিটের এএনসি। তার কাছ থেকে ১০.০১০ কেজি হাশিশ উদ্ধার করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০.০১ কোটি টাকা। এই ঘটনায় নির্মল নগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মাদক সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত মূল সরবরাহকারীর বিষয়ে তথ্য পান তদন্তকারীরা। এরপর ওরলি ইউনিটের এসপিও কিরণ ওয়াঘ এবং আধিকারিক রোহিত সালির নেতৃত্বে একটি দল বিহারে পাঠানো হয়।
২৩ আগস্ট মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল পূর্ব চম্পারণের রক্সৌলে পৌঁছে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় মোতিহারির কাছে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে। পুলিশের দাবি, গ্রেফতারের সময় সে প্রতিবেশী নেপালে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
মাদক সরবরাহ চক্রের আরও সদস্য এবং নেটওয়ার্কের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
এদিকে, পৃথক একটি মাদকবিরোধী অভিযানে ২২ আগস্ট হায়দরাবাদের এলবি নগর জোনের স্পেশাল অপারেশনস টিম (এসওটি) এবং নাগোল পুলিশ আন্তঃরাজ্য হাশিশ তেল পাচার চক্রের হদিস পায়। ওই অভিযানে দু’জনকে গ্রেফতার করে তাদের কাছ থেকে ১৪.২ কেজি হাশিশ তেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১.৭৫ কোটি টাকা।
ধৃতদের পরিচয় ৩০ বছর বয়সি থালে নাগারাজু এবং ৩৯ বছর বয়সি নাগুলা নারায়ণ ওরফে কিরণ হিসেবে জানা গিয়েছে। দু’জনেই অন্ধ্রপ্রদেশের আল্লুরি সীতারাম রাজু জেলার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, গৌরেল্লি রোডের দিকে মোটরসাইকেলে করে হাশিশ তেল নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গৌরেল্লি এক্স রোডে গাড়ি তল্লাশি চালানোর সময় পুলিশ তাদের মোটরসাইকেল থামায়।
তল্লাশিতে কালো রঙের পদার্থ ভর্তি ১৪টি প্যাকেট উদ্ধার হয়। সব মিলিয়ে যার ওজন প্রায় ১৪.২ কেজি। এছাড়াও দু’টি মোবাইল ফোন, একটি মোটরসাইকেল এবং ২,৫০০ টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
আইএএনএস



















