হাপুর/ফিরোজাবাদ, ২২ আগস্ট (আইএএনএস): উত্তরপ্রদেশের হাপুরে খুনের মামলায় ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষিত এক অপরাধীকে এনকাউন্টারের পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলি এবং অপরাধে ব্যবহৃত একটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হাপুর দেহাত থানার পুলিশের চেকিং অভিযানের সময় গৌরব ত্যাগী খুনের মামলার মূল অভিযুক্ত প্রদীপ পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশের দিকে গুলি চালায়। পাল্টা গুলিতে তার পায়ে গুলি লাগে। এরপর তাকে গ্রেফতার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশের দাবি, বাবুগড় থানার অন্তর্গত মোহাম্মদপুর আজমপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজবীরের ছেলে প্রদীপ ১৮ আগস্ট পুরনো জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে গৌরব ত্যাগীকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত। অভিযোগ, প্রদীপ তার ভাইদের এবং কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে মিলে একই গ্রামের বাসিন্দা গৌরবকে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে হামলা করে নৃশংসভাবে খুন করে।
এই ঘটনায় হাপুর দেহাত থানায় প্রাসঙ্গিক একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই প্রদীপ পলাতক ছিল। তাকে গ্রেফতারে সহায়ক তথ্যের জন্য হাপুরের পুলিশ সুপার কুনওয়ার জ্ঞানেন্দ্র সিং ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময় একটি সাদা গাড়িকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। কিন্তু গাড়ির চালক গতি বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং পরে একটি গাছে ধাক্কা মারে। এরপর গাড়ি থেকে নেমে অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে প্রদীপের পায়ে গুলি লাগে।
হাপুরের ডিএসপি অনিতা চৌহান জানান, আহত প্রদীপকে দ্রুত কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার কাছ থেকে বেআইনি অস্ত্র ও গুলি এবং ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, উত্তরপ্রদেশেরই ফিরোজাবাদে পৃথক একটি ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ের পর তিন কুখ্যাত চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
টুণ্ডলা সার্কেল অফিসার অরুণ কুমার চৌরাসিয়া জানান, মাখনপুর ও নারখি থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। গুলির লড়াইয়ের সময় অনুজ ও মিঠুন নামে দুই অভিযুক্তের পায়ে গুলি লাগে। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ তিন অভিযুক্তের কাছ থেকে একটি পিস্তল, একটি মোটরসাইকেল এবং ১০ হাজার টাকার বেশি নগদ উদ্ধার করেছে। দুই ঘটনাতেই তদন্ত চলছে।
–আইএএনএস



















