নয়াদিল্লি, ১৮ আগস্ট (আইএএনএস): কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডার দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে মঙ্গলবার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
এইমস-এর কার্ডিওলজি বিভাগে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হাসপাতালের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডার ১৭ আগস্ট ২০২৬ অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়েছে। তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন এবং নয়াদিল্লির এইমস-এর কার্ডিওলজি বিভাগে পর্যবেক্ষণে আছেন।”
জানা গেছে, অসুস্থ বোধ করার পর গত ১৩ আগস্ট সন্ধ্যায় নাড্ডাকে এইমস-এ ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করার পর ১৪ আগস্ট করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি-সহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করেন।
অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি বা পারকিউটেনিয়াস করোনারি ইন্টারভেনশন (পিসিআই) হৃদযন্ত্রের সরু বা ব্লক হয়ে যাওয়া ধমনী খুলে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক করার একটি কম আক্রমণাত্মক চিকিৎসা পদ্ধতি। সাধারণত একটি সরু ক্যাথেটারের মাধ্যমে ছোট বেলুন ধমনীর সংকুচিত অংশে পৌঁছে তা প্রসারিত করা হয়, যাতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এইমস-এর তরফে নাড্ডার অ্যাঞ্জিওগ্রাফির ফলাফল বা নির্দিষ্ট রোগ নির্ণয় সম্পর্কে বিস্তারিত কোনও তথ্য জানানো হয়নি।
বিজেপির জাতীয় সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন জে. পি. নাড্ডা। বর্তমানে তিনি নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং রাসায়নিক ও সার মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতেও তিনি বিভিন্ন বৈঠকে সভাপতিত্ব করা এবং দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পরিকাঠামো সংক্রান্ত কর্মসূচি পর্যালোচনার কাজে সক্রিয় ছিলেন।
করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি একটি হৃদযন্ত্রের রোগ নির্ণয়কারী পরীক্ষা, যার মাধ্যমে হৃদযন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী ধমনীগুলির অবস্থা পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষায় সাধারণত একটি সরু ক্যাথেটারের মাধ্যমে করোনারি ধমনীতে বিশেষ কনট্রাস্ট ডাই প্রবেশ করানো হয়। এরপর এক্স-রে ইমেজিংয়ের সাহায্যে ধমনীর কোথাও সংকোচন বা ব্লকেজ রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করেন চিকিৎসকরা।



















