নয়াদিল্লি, ১৮ জুলাই (আইএএনএস): জলবায়ু আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের পর আন্দোলন চলবে বলেই ঘোষণা করলেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি অভিযোগ করেন, দিল্লি পুলিশ জোর করে ওয়াংচুককে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে এবং তাঁকে যন্তর মন্তরে পৌঁছাতে বাধা দিয়ে মারধরও করেছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আইএএনএস-কে অভিজিৎ দীপকে বলেন, “এই আন্দোলন চলবেই। অত্যন্ত লজ্জাজনকভাবে দিল্লি পুলিশ চোর-গুণ্ডাদের মতো আচরণ করেছে। সোনম স্যারকে চাদর দিয়ে ঢেকে গোপনে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এতে আন্দোলন থামবে না।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে পুলিশ তাঁকে আটকে দেয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করে। তাঁর দাবি, “আমাকে মারধর করা হয়েছে, রাস্তায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ বলেছে, ‘দেখি কীভাবে যন্তর মন্তরে যাও।'”
দীপকের আরও দাবি, একাধিক বিধায়ক ও সাংসদকেও বিক্ষোভস্থলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
তিনি জানান, শনিবার থেকেই তিনি অনশন শুরু করছেন। পাশাপাশি ২০ জুলাই সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবন পর্যন্ত ঘোষিত পদযাত্রাও নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হবে।
এদিকে, সমাজবাদী পার্টির সাংসদ পুষ্পেন্দ্র সরোজও ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ২০ দিন ধরে অনশনরত একজন ব্যক্তির প্রতি সংহতি জানাতে বহু মানুষ এসেছিলেন। কিন্তু সরকার তাঁদের কথা শুনছে না। আজ তাঁকে জোর করে চাদর দিয়ে ঢেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সোনম ওয়াংচুক অনশন করছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শে শনিবার সকালে তাঁকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আদালত এর আগে তাঁর প্রতিদিনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল।



















