আগরতলা, ৬ জুলাই: ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও মানব পাচার রোধে খোয়াই মহকুমার একাধিক সংবেদনশীল এলাকায় যৌথ টহলদারি চালাল বিএসএফ ও ত্রিপুরা পুলিশ। সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হলেও, অবৈধ অনুপ্রবেশে জড়িত মূল দালালচক্র এখনও অধরা থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) ডি. কুড্ডিয়ারাসুর নেতৃত্বে এবং বিএসএফের ১০৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানদের অংশগ্রহণে দুর্গানগর, ঘোষপাড়া, পহড়মুড়া, গৌরনগর ও বেলছড়া সীমান্ত এলাকায় এই যৌথ টহল অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানব পাচার এবং অন্যান্য বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ করা।
বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টহল চলাকালীন সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল। তবে যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি রুখতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত থেকে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হলেও, তাদের ভারতে প্রবেশে সহায়তাকারী দালালচক্রের মূল হোতারা এখনও অধরা। তদন্তে ধৃতদের মোবাইল ফোন থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের সূত্র মিললেও, সেই সূত্র ধরে এখনও পর্যন্ত বড় কোনও সাফল্য পায়নি তদন্তকারী সংস্থা।
এই পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, শুধুমাত্র সীমান্তে টহলদারি বাড়িয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাদের মতে, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তবেই সীমান্ত নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে এবং এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
























