নয়াদিল্লি, ১৮ মে: পাকিস্তান-যোগ সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র এবং গুপ্তচরবৃত্তির মামলায় পাঁচ কিশোর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিল জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। সোমবার উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে এই রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে।
এনআইএ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কিশোরদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, সরকারি গোপনীয়তা আইন এবং ইউএ(পি)এ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।
গাজিয়াবাদের এই গুপ্তচর মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ২০২৬ সালের মার্চ মাসে প্রথম এই মামলা দায়ের করে।
তদন্তে উঠে এসেছে, সংবেদনশীল রেলস্টেশন এলাকায় সৌরশক্তিচালিত ক্যামেরা বসিয়ে সেই ফুটেজ পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্দেহভাজন জঙ্গিদের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এনআইএ-র দাবি, অভিযুক্ত পাঁচ কিশোর অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগসাজশ করে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্দেহভাজন জঙ্গিদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছবি, ভিডিও এবং নির্দিষ্ট জিপিএস অবস্থান পাঠাতে সাহায্য করেছে। তদন্তকারীদের মতে, এর উদ্দেশ্য ছিল ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করা।
তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ওই কিশোররা বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেছিল। অভিযোগ, তারা নজরদারি ক্যামেরা বসানো এবং সংবেদনশীল তথ্য পাঠানোর কাজেও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল।
এছাড়া পাকিস্তান-যোগ থাকা ব্যক্তিদের জন্য ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে।
এনআইএ জানিয়েছে, মামলার বাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত এখনও চলছে। এর আগে মার্চ মাসে গাজিয়াবাদ পুলিশ এই মামলায় আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল। তদন্তকারীদের দাবি, এটি পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-সমর্থিত অন্যতম বড় গুপ্তচর চক্র।



















