হায়দরাবাদ, ৪ মে (আইএএনএস): তেলেঙ্গানায় কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি’র অভিযোগ তুললেন ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস)-এর কার্যনির্বাহী সভাপতি কে.টি. রামা রাও। সোমবার তিনি সাঙ্গারেড্ডি জেলে গিয়ে দলের নেতা মান্নে কৃষাঙ্ক-এর সঙ্গে দেখা করেন।
কৃষাঙ্কের বিরুদ্ধে এক কংগ্রেস কর্মীর উপর হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। গত ২৪ এপ্রিল হায়দরাবাদে তাঁকে এবং তাঁর সাত সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়।
তবে কেটিআর এই গ্রেফতারিকে বেআইনি বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, “মান্নে কৃষাঙ্ক একজন শিক্ষিত যুবক, আইনজীবী এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারী। ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন এবং তেলেঙ্গানা স্টেট মিনারেল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন।”
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার কারণেই কৃষাঙ্কের বিরুদ্ধে ৩৫টিরও বেশি ‘ভুয়ো মামলা’ দায়ের করা হয়েছে।
কেটিআরের কথায়, “রেভন্ত রেড্ডি সরকারের এই পদক্ষেপ গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা।”
তিনি আরও বলেন, “যেসব মামলায় চার বছরের কম সাজা হতে পারে, সেখানে সাধারণত স্টেশন বেল দেওয়া হয়। অথচ কৃষাঙ্ককে ১২ দিন ধরে জেলে রাখা হয়েছে এবং তাঁকে ‘হ্যাবিচুয়াল অপরাধী’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।”
বিআরএস নেতা অভিযোগ করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মিস ইংল্যান্ড’-কে হেনস্থার বিষয় তুলে ধরা, মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ, সরকারি চুক্তিতে দুর্নীতি তুলে ধরা এবং গ্রামীণ স্তরের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই কৃষাঙ্কের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করা হচ্ছে।
রাজ্যে বাড়তে থাকা অপরাধের প্রসঙ্গ তুলে কেটিআর বলেন, “করিমনগরে দিনের আলোয় গুলি চললেও সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয় না। অথচ সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী পোস্ট করছে, তা নিয়েই সরকার বেশি ব্যস্ত।”
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।



















