শনিছড়ায় তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৯ মার্চ৷৷  মহাদেব তপস্বিনী বৈদিক আশ্রম ও কন্যা গুরু কুলের দশম বার্ষিকী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে৷ বার্ষিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়৷ জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে ২৫ থেকে ২৭ মার্চ তিন দিনব্যাপী মহাদেব তপস্বিনী বৈদিক আশ্রম ও কন্যা গুরুকুলের দশম বার্ষিকী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়৷ ধর্মনগর মহকুমার বাগবাসা বিধানসভা এলাকার শনি ছড়ার আশ্রমে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়৷ প্রতিদিন ভোর চারটা থেকে আটটা পর্যন্ত বৈদিক নিয়ম-নীতি মেনে যোগ সাধনা সম্পন্ন হয়৷ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র নির্মাণ পার্টির রাজর্ষি ঠাকুর বিক্রম সিং, দেরাদুনের গুরুকুলের আচার্য ডঃ অন্নপূর্ণা, হরিয়ানার রেবারী থেকে আচার্য যোগী যোগেন্দ্র , দিল্লির আর্য সমাজ মন্দিরের পন্ডিত বিনোদ আচার্য দিল্লির যোগা শিক্ষক যোগী রাধেশ্যাম , মোহন আরিয়া রাজস্থানের সমাজসেবী, পূর্ণিমা গুঞ্জর উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ এর, দেরাদুনের সমাজসেবী শ্রীময়ী গুপ্তা সহ স্থানীয় এবং রাজ্যের ও বহিরাজের মহান যোগী ব্যক্তিত্বরা৷ প্রতিদিন ২০০ থেকে আড়াইশো ভক্তের সমাগম ঘটে৷ সকালে অনুষ্ঠানের পর বিকাল ৫ টা পর্যন্ত চলে বিভিন্ন ধরনের শৈল্পিক নিদর্শন৷ আশ্রমের উন্নতির জন্য ঠাকুর বিক্রম সিংহী এক লক্ষ টাকা অনুদান দেন৷ তাছাড়া আচার্য ডঃ অন্নপূর্ণা ২৫ হাজার টাকা, মোহন আরিয়া এগারো হাজার টাকা এবং শ্রীময়ী গুপ্তা ১১০০০ টাকা দান করেন৷ এগুলো ছাড়াও মোহন আরিয়া একটি যোগ্যস্থলী বানিয়ে দেন৷ যার খরচ পড়ে ৪৫ হাজার টাকার উপর৷ বিভিন্নভাবে এই দশম বার্ষিক উৎসবকে সাফল্যমন্ডিত করতে কেউ অর্থনৈতিকভাবে কেউ মনবল দিয়ে সাহায্য করেন৷ বহিরাগত গুরুদেবরা প্রত্যেকে তাদের যে কোন মুহূর্তে প্রয়োজন অনুসারে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন৷ তিন দিনের এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শনি ছরাতে এক মেলা ও প্রদর্শনী ঘিরে মানুষের  মধ্যে উৎসাহ এবং খুশির জোয়ার৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *