পাঁচগ্রাম (অসম), ১৯ মার্চ (হি.স.) : প্রতিকূল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করেই লক্ষাধিক মানুষের সমাগমে বরাকের কুম্ভ হয়েই যেন ধরা দিল বদরপুর কাটিগড়ায় বরাকের দুই পার। প্রাকৃতিক প্রতিকূলতায় মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশীর শতভিষা নক্ষত্রে পুণ্যস্নান বারুণীকে কেন্দ্র করে রবিবার দিন জনজোয়ারে ভাসল বরাকের উভয় তীর বারুণী ময়দান ও কপিলাশ্রম শিববাড়ি।
বিভিন্ন প্রান্তের পুণ্যার্থীরা পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ, অস্তিদান করলেন গোটা দিন । আট থেকে আশি সবাই শামিল হয়েছিলেন পুণ্যস্নানে । বারুণী ঘাট ও কপিলাশ্রম শিববাড়ি ঘাটে এদিন ভোর হতে না-হতেই উপচে পড়ে ভিড়। সময় বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে জনজোয়ার। একসময় বরাক নদীর উভয় তীর জনসমুদ্রের রূপ নেয়।
সুদূর অতীত থেকে এই স্নানপর্বকে ঘিরে জনজোয়ার প্রবাহিত হয় বরাকের দুই তীর অর্থাৎ কাটিগড়া বারুণী ময়দান ও ঠান্ডাপুর কপিলাশ্রম শিববাড়ি। পুণ্যার্থীদের ঢল সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশ, আধা সামরিক বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে। বরাক নদীর জলস্তরও বেড়ে গিয়েছিল, তাই বারুণী স্নানকালে অঘটন ঠেকাতে বরাক নদীর উভয় পারে মোতায়েন ছিল এসডিআরএফ টিম। সমারোহ উপলক্ষ্যে পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে উভয় তীরে ছিল স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীও।
যানজট এড়াতে শিলচর বদরপুর সড়কের পাঁচগ্রাম, ঠান্ডাপুর, বদরপুরঘাট, ৬ নং জাতীয় সড়কের চৌরঙ্গি, কাটিগড়ার অংশে প্রচুর পুলিশবাহিনী সক্রিয় থাকার পরও অগণিত যানবাহনের কারণে যানজট সামাল দিতে ব্যর্থ বলা যায়। যানজটের কবলে পড়ে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হন। সন্ধ্যা ৭টা অবধি যানজটে নাকাল থাকে দুই তীরের জাতীয় সড়ক সহ গ্যামন সেতু ।