ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ৪ মার্চ।। ভলিবলেও রয়েছে রূপকের দৃষ্টি। সেই দীর্ঘ সাত-আট বছর ধরেই। খবরও হয়েছে একাধিকবার। খেলোয়াড় এবং সংগঠকরা আগেই বিষয়টা নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। এমনকি আইনেরও দ্বারস্থ হয়েছেন যথোচিতভাবে। যতটুকু মনে হচ্ছে এখনো বিষয়টা আইনি গ্যারাকলে বিদ্যমান। একটি পুরানো, অপরটি নতুন – সমান্তরালে দুটো ভলিবল অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত হচ্ছে রাজ্যে। অবশ্যই একটি বৈধ হলে, অপরটি অবৈধ। কোনটি বৈধ আর কোনটি অবৈধ, আঙ্গুল তুলে দেখানোর অবকাশ নেই। আদালতের রায় শেষ কথা বললেও কার্যত খেলোয়াড়দের জীবন যে কক্ষচ্যুত হচ্ছে সেটাই মূলতঃ পরিতাপের বিষয়। আখেরে বিতর্কের বেড়াজালে আবদ্ধ এই সমস্ত ইভেন্টের দিকে অভিভাবকদের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের দৃষ্টিও কমে আসছে বলে অনুমান। আদালতের রায় থেকে প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে বিশেষ করে খেলোয়াড়দের সামনে তুলে ধরে তাদেরকে ইভেন্টের প্রতি এগিয়ে আনা, মাঠে অনুশীলন করানো, এরপর সাফল্যের ভেলায় ভাসানো প্রত্যেকের কর্তব্য। শেষ পর্যন্ত জাতীয় আসরে অংশগ্রহণ এবং সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রশংসাপত্র জুড়ে দেওয়ার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের পথে অগ্রসর হওয়ার ক্ষেত্রে খেলোয়ারদের উৎসাহিত করানোর লক্ষ্যে ক্রীড়াপ্রেমীদের এগিয়ে আসতে হবে।
2023-03-04