BJP in West Bengal : প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রজিৎ খটিক

কলকাতা, ২ ডিসেম্বর (হি. স.) : বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রচারের পর ভরদুপুরেও বিশ্রামের যো নেই ইন্দ্রজিৎ খটিকের। ঘরভর্তি পাড়ার ছেলে। বিকেলের পরিকল্পনা চলছে। যেভাবে হোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে গেরুয়া পতাকা ওড়াতেই হবে। মনোনয়ন পেশের ঠিক পরে বুধবার রূপচাঁদ মুখার্জি রোডে জনসংযোগে বেড়িয়ে পড়েছিলেন। এই প্রতিবেদককে বললেন, “কালীঘাটের ছেলে আমি। গোটা এলাকাটা মুখস্ত।“ বৃহস্পতিবার সকালে পদযাত্রা বার করেন ভবানীপুর গার্লস স্কুলের সামনে থেকে।


৩৩ বছরের ইন্দ্রজিৎ পড়েছেন সাউথ সুবার্বনে। বাবা সব্জিবিক্রেতা। ১৯৯৮ থেকে ইন্দ্রজিৎ যুক্ত হন আরএসএস-এর সঙ্গে। ২০০৬-এ সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন বিজেপি-তে। তবে, নির্বাচনী লড়াইয়ে এই প্রথম। জেতার ব্যাপারে কতটা আশাবাদী? “১০০ শতাংশ“— চটজলদি জবাব ইন্দ্রজিতের। ২০১৫-র পুরভোটে ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল আর বিজেপি-র প্রাপ্ত ভোট ছিল যথাক্রমে ৭ হাজার ৪০০ ও ৩ হাজার ৭০০। গত বিধানসভা ভোটে এই ব্যবধান অনেকটা কমে হয় যথাক্রমে ৬ হাজার ৮০০ ও ৫ হাজার। কিন্তু উপনির্বাচনে আবার পাল্লা ভারি হয় তৃণমূলের। এই সব অঙ্ক নিয়ে অবশ্য মাথা ঘামাতে রাজি নন ইন্দ্রজিৎ। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মুখ্যমন্ত্রীর ভ্রাতৃবধূ তৃণমূলের প্রার্থী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়।সকাল-বিকেল দু’বেলাই বেরোচ্ছেন প্রচারে। নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রচার নেমে পড়েন কাজরী। সেই প্রচারে প্রথম থেকেই দেখা যায়নি কো-অর্ডিনেটর রতন মালাকারকে। টিকিট না পেয়ে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর হওয়ার পাশাপাশি, বরো-৯-এর চেয়ারম্যানও তিনি। সিপিএম-এর প্রার্থী হয়েছেন মধুমিতা দাস। অন্য প্রার্থী কারা, সে নিয়েও মাথা ঘামাতে আগ্রহী নন ইন্দ্রজিৎ। তাঁর আশা, শেষ হাসি তিনিই হাসবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *