ওয়াশিংটন, ১৪ জানুয়ারি (হি.স.): আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। কিন্তু, সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে হামলার জেরে ইমপিচমেন্টের সম্মুখীন হলেন আমেরিকার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট। আমেরিকার ইতিহাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি দু’বার ইমপিচমেন্টের সম্মুখীন হলেন। ইউএস হাউসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘কেউ আইনের উর্দ্ধে নয়। তা সে প্রেসিডেন্টই হোক না কেন!’ আমেরিকার সময় অনুযায়ী বুধবার (ভারতীয় সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার) ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটি হয় আমেরিকান কংগ্রেসে। ঘটনাক্রমে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির ১০ জন প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে।
আমেরিকার সংবিধানের ২৫ নম্বর সংশোধনী অনুযায়ী কোনও প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব এনে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া যায়। সেই মতো ট্রাম্পকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন ডেমোক্র্যাটরা। কিন্তু, বিদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিকে লিখিতভাবেও জানান তিনি। কিন্তু বিষয়টা সেখানেই থেমে থাকেনি। এর পর আইনসভায় একটি প্রস্তাব এনে ভোটাভুটি হয়েছে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হবে কি না, তা নিয়েও ভোটাভুটি হয়। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব নে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেছেন, ‘আইনসভা এটাই জানান দিচ্ছে যে, কেউ আইনের উর্দ্ধে নয়। এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্টও।’ ট্রাম্পকে ইমপিচ করার জন্য ভোট দিয়েছেন ম,মোট ২৩২ জন আইন প্রণেতা, তাঁদের মধ্যে ১০ জন রিপাবলিকান।