নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর (হি. স.): সমস্ত ধরনের দীর্ঘ বৈঠক। প্রধানমন্ত্রী ও একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশ্বাস সত্বেও দুঃখের বিষয় কৃষক আন্দোলন আরও বেশি ঘনীভূত হয়ে উঠছে। শনিবার এ কথা জানিয়েছেন হিমাচলপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বরিষ্ঠ বিজেপি নেতা শান্তা কুমার। তাঁর মতে আন্দোলন এখন স্পর্শকাতর জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। কিছু নেতিবাচক উপাদান আন্দোলনের সঙ্গে মিশে গিয়েছে। সন্দেহের তালিকায় থাকা কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পেছন থেকে কোটি – কোটি টাকা যুগিয়ে চলেছে। ফলে সরকার এবং কৃষক সংগঠনের নেতাদের সতর্ক থাকতে হবে।
বিগত ১৭ দিন ধরে চলা দিল্লির সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে কৃষক বিক্ষোভকে পর্যবেক্ষণ করার পর বরিষ্ঠ এই বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, আন্দোলনের নেতৃত্বের জায়গায় কৃষকরা আর নেই। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে আন্দোলনকে উস্কে চলেছে। পঞ্জাবের রাজনৈতিক নেতারা এর পেছনে রয়েছে। কংগ্রেস শাসিত এই রাজ্যে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বিপুল পরিমাণে হয়। ফলে খাদ্য নিগমগুলি বিপুল পরিমাণে এই শস্য কিনে নেয়। শুধুমাত্র কর এবং কমিশন বাবদ প্রতিবছর আয় হয় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। নতুন কৃষি আইনের মাধ্যমিক কৃষকরা অন্য কোথাও নিজেদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে পারবে।এই আন্দোলনকে আর্থিক সাহায্য করে চলেছে পঞ্জাবের ফড়েরা । একটি বৈদ্যুতিক সংবাদ মাধ্যমে খবর অনুযায়ী আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিশাল বড় প্যান্ডেল করে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে বিক্ষোভকে সাহায্য করে চলেছে। এই সংস্থার কার্যালয় যে নেতার ছবি টাঙানো রয়েছে সে নিজে একটি বিমান অপহরণ কাণ্ডে জড়িত ছিল। চলতি বছরে শাহীনবাগে ১০০ দিনের আন্দোলনের পর বিপুল দাঙ্গার হয় দিল্লি জুড়ে। তাতে ৫০ জন নিরীহ মানুষের জীবনহানি হয়। কৃষক আন্দোলনও সেই দিকে যাচ্ছে।



















