নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর (হি. স.): দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তে কৃষক আন্দোলন ক্রমাগত ভয়াবহ আকার ধারণ করে চলেছে। এদিন ১৭তম দিনে পড়ল এই আন্দোলন। এই উপলক্ষে পালবলের কেএমপি এলাকায় কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে মাথা ন্যাড়া করে অবস্থান বিক্ষোভ দেখায় কৃষকরা।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার পাশাপাশি বেসরকারি কর্পোরেট সংস্থার বিরুদ্ধেও নিজেদের ক্ষোভ দেখাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কৃষকরা। রিলায়েন্স কোম্পানির উৎপাদিত সমস্ত সামগ্রী বহিষ্কার করা হবে। এমনকি জিও সিম থেকে অন্য সার্ভিস প্রোভাইডারে পোর্ট করা হবে। এদিন হরিয়ানার বিভিন্ন জেলায় কৃষকরা রিলায়েন্স মল এবং পেট্রল পাম্পগুলি ঘেরাও করে বসে থাকে। কৃষকদের বেড়ে চলা রোষ করে সেই জন্য বিপুল পরিমাণে পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়। যদিও কৃষক সংগঠনের নেতাদের দাবি তারা শান্তিপূর্ণভাবে এই আন্দোলন দেখিয়েছে।
সিরসায় বিক্ষোভরত কৃষকরা ধেয়ে আসছে খবর পেয়ে রিলায়েন্স শপিং মল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফতেহাবাদে রিলায়েন্স পেট্রোল পাম্পের সামনে ধরনা অবস্থান করে কৃষকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আগে থেকেই রিলায়েন্স শপিং মল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কেএমপি এলাকায় বিক্ষোভরত কৃষকদের সমবেদনা জানাতে আসেন সমাজকর্মী মেধা পাটেকর, মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কৃষক নেতা জগজিৎ সিং, শিবকুমার কাক্কা, নির্দলীয় বিধায়ক সম্বীর সংওয়াং।



















