নয়াদিল্লি, ৬ জুন (হি. স.): করোনা মারণ দৌরাত্ম্যে জেরবার দিল্লি। অভিযোগ উঠেছে যে বেসরকারি হাসপাতালগুলো করোনা রোগীদের ফিরিয়ে দিচ্ছে। এই সকল হাসপাতালগুলির প্রতি কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অন্তত কুড়ি শতাংশ শয্যা বরাদ্দ যদি কোনও বেসরকারি হাসপাতাল না করে তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কেজরিওয়াল।
শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, আজ থেকে কোনও করোনা রোগীকে বেসরকারী হাসপাতাল ফিরিয়ে দিতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট ওই রোগীর চিকিৎসা করতেই হবে হাসপাতালকে। কয়েকটি হাসপাতাল শয্যার কালোবাজারি করছে।এই কালোবাজারি রুখতে অ্যাপ এর সাহায্য নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলির তথ্য অ্যাপে আপডেটেড হয়ে চলেছে। কিন্তু এতকিছুর পরেও হাসপাতালগুলি রোগীকে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য শুক্রবার দিল্লি ৩৩ টি বেসরকারি হাসপাতালের মালিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। এদিন বাকি হাসপাতালগুলোর মালিকের সাথে আলোচনায় বসা হবে। রাজ্য সরকারের একজন করে স্বাস্থ্য আধিকারিক বেসরকারি হাসপাতালে রিসেপশনে বসবে।সেই সরকারকে তথ্য দেবে যে কতগুলো শয্যা হাসপাতালে রয়েছে ফলে হাসপাতালগুলি রোগীদের ফেরাতে পারবে না।দিল্লিতে কয়েকটি হাসপাতাল যে খুব ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছে এবং তারা যে আইনকে তোয়াক্কা করছে না সেই দিকে ইঙ্গিত করে অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, দিল্লিতে কয়েকটি হাসপাতাল খুবই শক্তিশালী এবং তাঁরা বলে চলেছে যে তারা কোনো রকমের করোনা রোগীকে ভর্তি নেবে না। এমন হলে সংশ্লিষ্ট সেই হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিন থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হলো।চিকিৎসা করার জন্য হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে। টাকা কামানোর জন্য নয়।
দিল্লিতে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৪২ টি পরীক্ষাগার রয়েছে। তার মধ্যে ৩৬ টি ভালো কাজ করছে। কিন্তু ছটি একেবারেই খারাপ।এই ছটি পরীক্ষাগার কে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।



















