নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৪ মে৷৷ রাজ্যে বিএসএফ-এর ১৩৮ নম্বর ব্যাটালিয়ানে করোনা আক্রান্ত ১৪ জওয়ানের সংস্পর্শে ছিলেন এমন আরও ১৭৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে৷ আশা করা যাচ্ছে, আজ (সোমবার) সন্ধ্যার মধ্যেই সমস্ত রিপোর্ট এসে যাবে৷ এদিকে, গতকাল চিহ্ণিত ১২ জন করোনা আক্রান্ত বিএসএফ জওয়ানদের আজ জিবি হাসপাতালের কোভিড-১৯ চিকিৎসা কেন্দ্রে আনা হবে৷
প্রসঙ্গত, একজন বহির্রাজ্যের অ্যাম্বুলেন্স চালক৷ পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে৷ চেন্নাই থেকে রোগী নিয়ে ত্রিপুরায় আসার পর তাকে পরীক্ষা করা হয়েছিল৷ তাতেই করোনা আক্রান্তের রিপোর্ট মিলেছে৷ এছাড়া প্রথম দুই করোনা আক্রান্ত রোগমুক্ত হয়েছেন৷ কিন্তু গত দু-দিনে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে ত্রিপুরায়৷
সবচেয়ে চিন্তার বিষয়, করোনা আক্রান্ত বিএসএফ জওয়ানরা লক্ষণহীন ছিলেন৷ কারণ, ত্রিপুরায় বিএসএফ-এর প্রথম আক্রান্ত জওয়ান ১১ মার্চ ছুটি কাটিয়ে ত্রিপুরায় ফিরেছেন৷ কিন্তু অসুস্থ হয়েছেন গত ২৫ এপ্রিলঊ শুধু তা-ই নয়, তাঁর সংস্পর্শে ছিলেন বাকি ১৩ জন জওয়ানের করোনা আক্রান্তের কোনও লক্ষণ ছিল না৷
আজ শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ জানান, বিএসএফ-এর প্রথম দুই করোনা আক্রান্ত জওয়ানদের ইতিমধ্যে জিবি হাসপাতালের কোভিড-১৯ চিকিৎসা কেন্দ্রে ভরতি করা হয়েছে৷ গতকাল করোনা আক্রান্ত হিসেবে চিহ্ণিত ১২ জন জওয়ানকে আজই আইসোলেশন সেন্টারে নেওয়া হবে৷ তিনি জানান, বিএসএফ জওয়ানদের সংস্পর্শে ছিলেন এমন আরও ১৭৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা চলছে৷ ইতিমধ্যে ৩৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১২ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ মিলেছেঊ ওই ১৭৯ জনের রিপোর্ট সন্ধ্যার মধ্যে এসে যাবে৷ তাঁদের মধ্যে বিএসএফ জওয়ান, চিকিৎসক, নার্স, প্যারা-মেডিক্যাল স্টাফ সহ অন্যান্যরা রয়েছেন৷
তাঁর কথায়, করোনা-র তিন ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে৷ কোভিড-১৯ উৎসর্গিত হাসপাতাল, কোভিড-১৯ উৎসর্গিত চিকিৎসা কেন্দ্র এবং কোভিড-১৯ কেয়ার উৎসর্গিত কেন্দ্র, তিন জায়গায় চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে৷



















