নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ২৩ সেপ্ঢেম্বর৷৷ সাব্রুমের জেএনএস ক্লাব সংলগ্ণ এলাকা থেকে রবিবার সকালে অস্ত্রসহ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ তাদের কাছ থেকে দুটি নাইন এমএম পিস্তল, চারটি ম্যাগজিন ও সাত রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে৷ জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে সাব্রুমের জেএনএস ক্লাব সংলগ্ণ এলাকায় টিআর-০১-এক্স-০৪৭০ নম্বরের একটি মারুতী গাড়ি দাঁড়িয়েছিল৷ দীর্ঘক্ষণ এলাকায় মারুতী গাড়িটি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সাধারণ মানুষের সন্দেহ হয়৷ তখন এলাকার জনগণ পুলিশকে খবর দেন৷ খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং মারুতী গাড়িটিতে তল্লাশী চালায়৷ পুলিশ জানিয়েছে, মারুতী গাড়ি থেকে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে দুটি নাইন এমএম পিস্তল, চারটি ম্যাগজিন, ও সাত রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে৷ বর্তমানে পুলিশ ধৃত তিন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে৷ জানা গেছে ধৃতরা সকলেই বহিরাগত৷ পুলিশ তাদের বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে চায়নি৷ তবে তারা কী উদ্দেশ্যে রাজ্যে এসেছে সে বিষয়ে তাদের ম্যারথন জিজ্ঞাসাবাদ করে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছেন দক্ষিণ জেলার পুলিশ সুপার জলসিং মিনা৷ পুলিশ সুপার জানিয়েছে এই পিস্তলগুলি দেশীয় তৈরী৷ তবে এগুলি অনেকটাই উন্নতমানের৷ বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে এগুলি তৈরী করা হয়৷ যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার জানিয়েছে এই পিস্তলগুলি ভাগলপুর থেকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে৷ স্থানীয় কোন চক্র যুক্ত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পুলিশ সুপার৷ তিনি বলেন, সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও থাকতে পারে৷ তবে, আগ্ণেয়াস্ত্র উদ্ধারের খবরে রবিবার গোটা সাব্রুম মহকুমায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে৷ প্রসঙ্গত, একটি সমর্থিত সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে আগ্ণেয়াস্ত্র চোরাচালানের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে৷ বহির্রাজ্য থেকে অস্ত্র এনে এখানে বিক্রি করা হচ্ছে৷ জানা গিয়েছে, রাজধানী আগরতলা শহরের রামনগর, জয়নগর, রাজনগর, কবিরাজটিলা, প্রতাপগড়, বড়জলা, নরসিংগড় প্রভৃতি এলাকায় আগ্ণেয়াস্ত্র চোরাচালানের চক্র সক্রিয় রয়েছে৷ অন্যদিকে, কাঞ্চনপুরেও একটি চক্র রয়েছে৷ বহিঃরাজ্য থেকে আগ্ণেয়াস্ত্র অনে এখানে বিক্রি করা হচ্ছে৷