
উত্তেজিত জনতা স্লোগান দিতে দিতে বাড়ির বাইরে বেড়িয়ে এসে রাস্তায় দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে থাকে। জনগণকে শান্ত থাকার জন্য পুলিশের তরফ থেকে অনুরোধ করা হয়। বলা হয় এমন গুজবে দয়া করে কান দেবেন না। কিন্তু এরপরই ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পরিস্থিতি এমন পর্যায় গিয়ে দাঁড়ায় যে শূন্যে গুলি, কাঁদানে গ্যাস এবং লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বাধ্য হয় পুলিশ। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার দোকান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। রাস্তাঘাটে যান চলাচল বন্ধ হয় যায়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য বাড়তি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্কুলগুলির তরফ থেকে পড়ুয়াদের বাবা-মাকে পড়ুয়াদের বাড়ি নিয়ে যাওয়া জন্য অনুরোধ করা হয়।
অন্যদিকে দুইদিনের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট থেকে উপত্যকায় সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে উপত্যকার বিচ্ছিন্নবাদী সংগঠন জয়েন্ট রেসিসটেন্স লিডারশিপ। এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সৈয়দ আলি শাহ গিলানি, মিরওয়াজ মৌলবি ওমর ফারুক এবং মহম্মদ ইয়াসিন মালিকের মত বিচ্ছিন্নবাদী নেতা।