
এখানে তিনি রাজ্যের রাস্তঘাট সম্পর্কেও তাঁর দফতরের কর্মসূচির তথ্য দিয়েছেন। বলেন, অসমের সব সড়ক উন্নয়ন করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। দলের সব বিধায়কদের কাছে সংশ্লিষ্ট এলাকার রাস্তাঘাট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন তিনি। সড়ক সম্পর্কীয় সমস্যাবলির পাশাপাশি পরামৰ্শও বিধায়কদের কাছে চেয়েছেন তিনি।
শিবসাগরের সাংস্কৃতিক কর্মী রজনী খারঘরিয়া ও তাঁর পত্নী রুবি খারঘরিয়া ছেলে তথা ওএনজিসি-র পদস্থ আধিকারিকের কাছে শারীরিক-মানসিক নিগ্রহে জর্জরিত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মন্তুদ বলেছেন মন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা। বলেছেন, ‘প্ৰণাম’ প্রকল্পের আওতায় ওএনজিসি পড়ে না। কোনও সরকারি কর্মচারী তার বাবা বা মায়ের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করলে তাকে নির্ঘাত শাস্তির সন্মুখীন হতে হত। তবে ‘বধূ প্ৰণাম’ প্রকল্পে বিষয়টি পড়ে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে বলে জানান মন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা।
পরবৰ্তী পৰ্যায়ে আগামী ৫ জুলাই বিরোধী দলের বিধায়কদের সঙ্গেও অনুরূপ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি। সেদিন কংগ্ৰেস, বিপিএফ, এআইইউডিএফ এবং অগপ বিধায়কদের সঙ্গে তাঁদের নিজের নিজের এলাকার অভাব-সমস্যা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হবে। মন্ত্রী জানান, আগামী দু-বছরের মধ্যে রাজ্যের সব রাস্তার উন্নয়ন করতেই হবে, এই লক্ষ্য নিয়ে তাঁর দফতর এগোচ্ছে।