নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ জুলাই৷৷ অবরুদ্ধ রাজ্যে যন্ত্রণার দিনলিপি শুরু৷ রাজনীতি বিচার বিবেচনা, লাভা লাভের দর কষাকষিতে বিপাকে পড়েছেন বিমান যাত্রীরা৷ আকাশ ছোয়া বিমানের টিকেট৷ অবরোধের সুযোগে আগরতলা-কলকাতা ও আগরতলা-গুয়াহাটির যাতায়ত ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে বিমান সংস্থাগুলি৷ আইপিএফটি পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধে বসেছে৷ অবরোধের প্রভাব রাজ্যে সর্বাধিক পড়েছে বিমান ভাড়ায়৷ তিন হাজার চার হাজার টাকার বিমানের টিকেট ১৪ হাজারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে৷ তাও আবার পর্যাপ্ত নয়৷ বহিঃরাজ্যে যাতায়াতের বর্তমানে একমাত্র মাধ্যম আকাশ পথ৷ কলকাতা-গুয়াহাটি-আগরতলা স্বল্প দূরত্বের আকাশ পথে হঠাৎ করে বিমান ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়ছেন যাত্রী সাধারণ৷ এই উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য প্রশাসন যেমন নিরব তেমনি অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকও টু-শব্ধ করছেনা৷ এক রকম মর্জিমাফিক ভাবে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে বিমান সংস্থা গুলির কিছু এজেন্ট৷ উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যেগুলির মধ্যে ছোট্ট এই রাজ্যের সঙ্গে দেশের অন্যান্য প্রান্তের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রধানত বিমানের উপরই নির্ভর করতে হয়৷ তার উপর আই পি এফ টি’র ডাকা অবরোধের জেরে জাতীয় সড়ক ও রেল পথে এই সময়ে যাতায়াত বন্ধ হয়ে পড়ায়, বিমান যাত্রীও বেড়ে দ্বিগুন হয়ে গেছে৷ আর এই পরিস্থিতে বিমান ভাড়া তিন গুন ছাড়িয়ে যাওয়ার বিপাকে পড়েছেন রাজ্যের একাংশ লোক৷ চিকিৎসা পরিষেবা থেকে শুরু করে বহিঃরাজ্যের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হতে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রী এবং ব্যাবসায়ী মহলে বিশাল সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে৷ দিনের পর দিন হু হু করে বাড়ছে বিমান ভাড়া৷ বাড়ছে হয়রানী ও জন দুর্ভোগ৷ সড়ক ও রেল অবরোধ শুরু হওয়ার আগের দিনও ৯ জুলাই আগরতলা-কলকাতা রুটে টিকিট বিক্রি হয়েছে সাড়ে তিন হাজার টাকা৷ আগরতলা -গুয়াহাটির টিকিট ছিল তিন হাজারের মধ্যে৷ ১০ জুলাই অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকেই উর্ধমুখী সবকটি বিমানের টিকিট, বর্তমানে কলকাতা ও গুয়াহাটিগামি বিভিন্ন বিমান সংস্থার টিকিট ১৪ হাজার টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে৷ এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো, স্পাইজেট সমস্ত সংস্থাই যাত্রীদের বাড়তি পকেট কাটার প্রতিযোগিতায় নেমেছে৷ কেন্দ্রীয় আসামরিক পরিবহন মন্ত্রক বরাবরের মতোই নির্বাক৷ হেলদোল নেই রাজ্য প্রশাসন কিংবা পরিবহন দপ্তরের৷
2017-07-17
