নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ জুন৷৷ রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং ক্রমাগত নজরদারী রাখার জন্য মন্ত্রী ও

আধিকারিকদের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে৷ মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ কমিটিতে অর্থমন্ত্রী ভানুলাল সাহা, পূর্ত ও রাজস্ব মন্ত্রী বাদল চৌধুরী, কৃষি মন্ত্রী অঘোর দেববর্মা৷ মুখ্য সচিব সঞ্জিব রঞ্জন এবং রাজস্ব দপ্তরের প্রধান সচিব সুশীল কুমার রয়েছেন৷
এবিষয়ে এদিন অর্থমন্ত্রী ভানুলাল সাহা জানান, আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে৷ আগামী ৪৮ ঘন্টা রাজ্যে ভারী বর্ষণ হবে বলে আবহাওয়া পূর্বাভাষে জানা গেছে৷ তাই, জেলা প্রশাসনকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে৷ ইতিমধ্যে ত্রাণ শিবিরে সাহায্য পৌছে দেওয়া হচ্ছে৷ গতকাল বিকেল থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদীর জলস্তর কমেছে৷
অর্থমন্ত্রী বলেন, বন্যায় তিন ধরনের ক্ষতি হয়েছে৷ তা নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হয়েছে৷ মূলত, বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং ফসলের ক্ষতি হয়েছে৷ বন্যায় যেসমস্ত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেগুলি দ্রুত তৈরি করে দেওয়ার জন্য সংশ্লীষ্ট দপ্তরকে বলা হয়েছে৷ পূর্ত দপ্তরকে বলা হয়েছে, যেসমস্ত রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়েছে, সেগুলি দ্রুত সারাই করে দেওয়ার জন্যা৷
অর্থমন্ত্রী জানান, বন্যা দুর্গতদের সহায়তার জন্য এবং ক্ষয়ক্ষতি বিশ্লেষণ করে দেখার জন্য মন্ত্রী ও আধিকারিকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ এই কমিটিতে অর্থমন্ত্রী, পূর্ত ও রাজস্ব মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং রাজস্ব সচিব রয়েছেন৷ কমিটিতে সামগ্রিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে বলা হয়েছে৷ প্রয়োজনে সমস্যা নিয়ে বৈঠকে বসে সমাধানের জন্যও বলা হয়েছে৷ এদিন তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির পুরো রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি৷ তবে, ২০০০ পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে৷
এদিকে, রাজ্যের মঙ্গলবার তেমন বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসছে৷ বিভিন্ন এলাকা থেকে জল সরে যাচ্ছে৷ ইতিমধ্যেই কিছু কিছু পরিবার ত্রাণ শিবির থেকে নিজ নিজ বাড়িঘরে ফিরে গিয়েছেন বলে খবর৷

