কলেজটিলায় যুবক ও সাব্রুমে যুবতীর আত্মহত্যা ফাঁসিতে

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২১ এপ্রিল৷৷ পরিবারে অশান্তির জেরে আত্মঘাতি হয়েছেন এক ব্যাক্তি৷ জানা গেছে, কলেজটিলা ফাঁড়ির অধিন রেন্ট্রাস কলোনীর বাসিন্দা ইন্দ্রজিৎ দাস (৩৫) ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছেন৷
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে ঝামেলা হচ্ছিল৷ প্রাই স্ত্রী গৌরী দাসের সাথে ইন্দ্রজিৎ দাসের ঝগড়া হতো৷ পেশায় রিক্সাচালক ইন্দ্রজিৎ তিন কন্যা সন্তানের পিতা৷ জানা গেছে, গতকাল বাড়ি ফেরার স্ত্রীর সাথে প্রচন্ড ঝগড়া হয়েছে তাঁর৷ এরপরই তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান৷ রাতে বাড়ি ফিরে আসেননি৷ সকালে স্থানীয় জনগণ রেললাইনের ধারে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান ইন্দ্রিজিতের দেহ৷ সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় তার পরিবারের সদস্যদের৷ সাথে খবর দেওয়া হয় কলেজটিলা ফাঁড়িতেও৷ পুলিশ এসে তার দেহ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়৷ এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে৷
এদিকে, বাবার বকুনি খেয়ে অভিমানে মেয়ে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে৷ জানা গেছে, গতকাল রাতে সাব্রুমের জলাপাসা এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর দাসের মেয়ে সুপ্রিয়া দাস ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে৷
মৃতার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে অত্যাধিক মোবাইল ব্যবহারের জন্য এবং পড়াশুনায় ঢিলেমি দেওয়ায় বাবা ও মেয়ে’র মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া হয়৷ উত্তেজিত হয়ে বাবা শঙ্কর দাস তার মেয়ে সুপ্রিয়া দাসকে মারধরও করেন৷ তাতে অভিমানে মেয়ে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে ফেলে এবং ফাঁসিতে আত্মহত্যার চেষ্টা করে৷ তার মা বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে বাড়ির লোকজন এবং প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে সাব্রুম হাসপাতালে নিয়ে যান৷ কিন্তু, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে চিকিৎসকরা তাকে জি বি হাসপাতালে স্থানান্তর করেন৷ জি বি’তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল আটটায় তার মৃত্যু হয়েছে৷ তার মৃত্যুতে সাব্রুমের জলাপাসা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে৷