শীর্ষ আদালতে শিক্ষকদের চাকুরীচ্যুতি মামলার শুনানী কাল

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ মার্চ৷৷ ১০,৩২৩ জন শিক্ষক চাকুরিচ্যুতি মামলায় সোমবার সুপ্রিমকোর্টে শুনানি হয়েছে৷ পরবর্তী শুনানির দিন ৮ মার্চ ধার্য করা হয়েছে৷ সম্ভবত ঐদিনই এই মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে৷

ত্রিপুরা হাইকোর্টের রায়ে ২০১৩ সালে ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল৷ হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিমকোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করে আইন দপ্তরের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মোট তিনটি মামলা সুপ্রিমকোর্টে জমা পড়ে৷ রাজ্য সরকার, ত্রিপুরা সরকার শিক্ষক সমিতি(টিজিটিএ) এবং চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের তরফে পৃথকভাবে দায়ের করা তিনটি মামলাকে এক সাথে যুক্ত করে শুনানির জন্য গৃহীত হয়৷

সূত্র অনুসারে জানা গেছে, আজ সুপ্রিমকোর্টে রাজ্য সরকার এখন শিক্ষক নিয়োগের নীতি হলফনামা দিয়ে জানাতে চেয়েছিল৷ কিন্তু সুপ্রিমকোর্টে বিচারপতি তখনই সেই দস্তাবেজ আদালতে জমা দিতে বলেন৷ সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি আদর্শ কুমার গোয়েল এবং উদয় ওমেশ ললিতের ডিভিশ বেঞ্চ আগামী ৮ মার্চ পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন৷

এদিন আদালতে রাজ্য সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট জেনারেল গোপাল সিং, আইনজীবী বিশাল অরুণ, রঞ্জনকুমার পান্ডে, মোহিত কুমার সাহ ও মিস নীধি সহ একদল অভিজ্ঞ আইনজীবী৷ অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষক পদে চাকুরি বঞ্চিত আবেদনকারীদের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন বরিষ্ঠ আইনজীবী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সালমান খুরশিদ এবং ইমতিয়াজ আহমেদ৷

এখন আগামী ৮ মার্চ এই মামলায় সুপ্রিমকোর্ট কি রায় দেয় সেই অপেক্ষায় রয়েছে রাজ্যবাসী৷ অন্যদিকে, সুপ্রিমকোর্ট এই মামলায় মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে রায় দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী তপন চক্রবর্তী৷