নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩০ জানুয়ারি৷৷ রাজধানী আগরতলা শহর সংলগ্ণ ইন্দ্রনগরের চৌধুরী টিলায় এক গৃহবধূকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ মিলেছে৷ মৃত গৃহবধূর নাম অরুণা দাস(৩৮)৷ স্বামীর নাম দুলাল দাস৷ জানা যায়, ১৫ বছর আগে সামাজিক প্রথায় তাদের বিয়ে হয়েছিল৷ গত বেশকিছুদিন ধরে তাদের পারিবারিক কলহ চলছে৷ গতকাল রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রচন্ড বাকবিতন্ডা হয়৷ আশঙ্কা করা হচ্ছে, বাকবিতন্ডা শেষে স্ত্রীকে হত্যা করে মৃতদেহটি ঘরের ভিতরেই ঝুলিয়ে রাখা হয়৷ শনিবার সকালে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন৷ পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে৷ ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে৷ এটি একটি হত্যাকান্ড বলে আশঙ্কা করা হলেও পুলিশ প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা সংক্রান্ত মামলা গ্রহণ করেছে৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে৷ এদিকে, গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের সংবাদে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে৷ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন এলাকাবাসী৷
এদিকে, জয়নগরের অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষকের মৃত্যু ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে৷ অবসরপ্রাপ্ত ঐ শিক্ষকের নাম দীপক কুমার দাস৷ জানা যায়, শুক্রবার রাত দশটা নাগাদ খাওয়া দাওয়ার পর মোবাইল ফোন ও মানি ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তিনি৷ কিছুক্ষণ বাদেই রাস্তার পাশে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার লোকজনরা৷ অবশ্য তার কাছে মোবাইল ফোন ও মানি ব্যাগটি মিলেনি৷ তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে জিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ মোবাইল ফোন ও মানি ব্যাগ বেপাত্তা হয়ে যাওয়ায় মৃত্যু নিয়ে সংশয়ে পড়েন এলাকার লোকজন ও পরিবারের লোকজনরা৷
অন্যদিকে, উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষায় আশানুরূপ ভালো ফলাফল করতে না পারায় মা-বাবা সন্তানকে গালমন্দ করেছিলেন৷ যদিও টেস্ট পরীক্ষায় সে পাশ করেছিল৷ কিন্তু মা-বাবার চাহিদামত নম্বর পায় নি সে৷ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সে প্রথম বিভাগে পাশ করেছিল৷ দ্বাদশের টেস্ট পরীক্ষায় অভিভাবকদের প্রত্যাশামত নম্বর না পাওয়ায় তাকে গালাগাল করেন মা-বাবা৷ অপমানে অভিমানে শেষ পর্যন্ত ছাত্রটি বিষপানে আত্মহত্যা করে৷ অভিমানী ঐ ছাত্রের নাম রাজীব নাথ৷ বাবার নাম তেজেন্দ্র কুমার নাথ৷ বাড়ি সাব্রুমের দুলুবাড়ি গ্রামে৷ সে দুলু বাড়ি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল৷ পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে৷ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে৷ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে৷
2016-01-31