সংঘর্ষ : হাইকোর্টের নির্দেশ স্পষ্ট নয়, বললেন আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৭ জুলাই৷৷ সিদ্ধি আশ্রমে সংঘর্ষের ঘটনায় ত্রিপুরা হাইকোর্টের সাম্প্রতিক নিদের্শকে ঘিরে মামলা পরিচালনা নিয়ে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে আলোচনা করেছেন আইনমন্ত্রী রতন লাল নাথ৷ তবে, আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে বলে দাবি করতে পারেননি তিনি৷

শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্ণের জবাবে আইনমন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন, আমতলি থানায় ৭১ নম্বর মামলায় অভিযুক্তরা অগ্রিম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন হাইকোর্টে৷ সেই মোতাবেক ওই থানায় লিপিবদ্ধ তিনটি মামলায় হাইকোর্টে শুনানি হেেয়ছে এবং আদালত শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তদন্তকারী অফিসারদের নির্দেস দিয়েছে৷ তিনি জানান, ৭১নং মামলায় অভিযুক্তরা অগ্রিম জামিন চেয়েছেন কিন্তু হাইকোর্ট ৬৮ ও ৬৯ নং মামলায় কেইস ডাইয়েরি কেন তলব করেছে তা বোঝা যায়নি৷

শুক্রবার ত্রিপুরা হাইকোর্টের এই মামলাগুলি সংক্রান্ত নির্দেশকে ঘিরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কি নেওয়া উচিত সেই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের মতামত জানতে চেয়েছেন আইনমন্ত্রী৷ তিনি জানান, আগামী সোমবার ওই মামলার পূনরায় শুনানি হবে হাইকোর্টে৷ সরকারপক্ষ হাইকোর্টে বক্তব্য রাখবে৷ তিনি বলেন, হাইকোর্ট যে কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার পারে নির্দেশ দিতে পারে৷ কিন্তু, কি কারণে হাইকোর্ট এমনটা নির্দেশ দিতে পারে, তা বিশ্লেষণ করা খুবই জরুরি হয়ে উঠেছে৷

তাঁর মতে, হাইকোর্টের ওই নির্দেশ স্পষ্ট নয়৷ সাথে তিনি যোগ করেন, হাইকোর্ট অভিযুক্তদের জামিনের আবেদন বাতিল করবে নাকি খারিজ করবে তাও স্পষ্ট নয়৷ ফলে, বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে মত বিনিময় জরুরি হয়ে উঠেছিল৷ কিন্তু, তাদের সাথে আলোচনাও ফলপ্রসু হয়নি৷

প্রসঙ্গত, সিদ্ধি আশ্রমে গোষ্ঠী দন্ধে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা-পাল্টা মামলা হয়েছে৷ ওই ঘটনায় তিনটি মামলা ত্রিপুরা হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়েছে৷ শুক্রবার হাইকোর্ট ওই মামলাগুলিতে অভিযুক্তদের আগামী সোমবার সশরীরে হাজিরা দিতে নির্দেশ দিয়েছে৷