নয়াদিল্লি, ২ অক্টোবর (আইএএনএস): হরিয়ানার সোনিপত থেকে কানাডায় ২৪ মেট্রিক টন হিমায়িত খাদ্যপণ্যের একটি চালান পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এপিডা)-র উদ্যোগে এই রপ্তানি সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষক উৎপাদক সংস্থা বা এফপিও-র নেতৃত্বে পাঠানো এই চালানে রয়েছে কাঁচা মটরশুঁটি, মিশ্র সবজি, মটরশুঁটি ও গাজর, মিষ্টি ভুট্টা এবং সমোসাসহ বিভিন্ন হিমায়িত খাদ্যপণ্য।
অ্যাটার্না ফুডস প্রডিউসার কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে রপ্তানি করা এই চালানে মোট ২,২৯৫টি বাক্স রয়েছে। চালানটির মোট মূল্য ৩৫,১৪০ কানাডীয় ডলার। এপিডার আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের আওতায় রপ্তানিকারক সংস্থাটিকে সহায়তা করা হয়েছে।
এই রপ্তানি ভারতের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং এফপিওগুলিকে বিশ্ববাজার ও বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে আরও একটি পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে, রপ্তানিমুখী মূল্যশৃঙ্খল গড়ে তুলতে এবং কৃষক গোষ্ঠীগুলিকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ করে দিতে এফপিওগুলির ভূমিকা বাড়ছে।
কৃষিপণ্যকে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে এফপিও-নির্ভর এই মডেল উৎপাদকদের আয় বাড়াতে এবং রপ্তানি মূল্যশৃঙ্খলে কৃষক গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করতে পারে। এফপিও এবং রপ্তানিকারকদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের পাশাপাশি বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে এপিডা।
রপ্তানির আনুষ্ঠানিক সূচনার সময় এপিডার চেয়ারম্যান অভিষেক দেব রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এফপিও-র সরাসরি রপ্তানি উৎপাদকদের পণ্যের মূল্যপ্রাপ্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে। একইসঙ্গে তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফুড টেকনোলজি এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের (নিফটেম) গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেন এবং কানাডার বাজারে ভারতের রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন।
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীন এপিডা ভারতীয় কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ এবং রপ্তানির সুযোগ তৈরিতে কাজ করে চলেছে। পাশাপাশি কৃষক গোষ্ঠীগুলিকে আন্তর্জাতিক মূল্যশৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত করতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কানাডায় মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারত-কানাডা সম্পর্কের ক্ষেত্রে উন্নতির ইঙ্গিত মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রেও এই ধরনের রপ্তানি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।






















