নয়াদিল্লি, ১৭ আগস্ট (আইএএনএস): বিহারের লখিসরাই ও পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে পৃথক দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে এই অর্থ দেওয়া হবে। আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর দফতর সোমবার সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’-এ জানায়, লখিসরাইয়ের ঘটনায় মৃত প্রত্যেকের নিকটাত্মীয়কে ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
এর আগে লখিসরাইয়ের অশোক ধাম মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে সাত জনের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। শ্রাবণ মাসের তৃতীয় সোমবার পুজো ও ধর্মীয় আচার পালন করতে মন্দিরে বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়েছিল। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ১২ জন আহত হন।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের তারাপীঠে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকেও পিএমএনআরএফ থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে পিএমও। আহতদের জন্য দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা।
সোমবার তারাপীঠের হোটেল অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনায় ‘বিদেশিনী’ নামে হোটেলটির মালিক কল্যাণ পালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বীরভূমের পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বুন্দেশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হোটেলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না এবং অগ্নি-নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হোটেলের একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ, পিছনের একটি বহির্গমন দরজা বন্ধ থাকায় তাঁরা বেরোতে পারেননি। যদিও হোটেল মালিকের দাবি, আতঙ্কের কারণে অনেকে পিছনের দরজাটি খুঁজে পাননি এবং রিসেপশনের দিকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করার সময় আগুনে ঝলসে যান।
বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং হোটেল মালিকের বক্তব্য—দুই দিকই তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিক।
সোমবার ভোর প্রায় ৫টা নাগাদ তারাপীঠ থানার লাগোয়া হোটেলটিতে আগুন লাগে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়া পঞ্চম তলা পর্যন্ত পৌঁছলেও আগুন মূলত প্রথম তলায় এবং আংশিকভাবে দ্বিতীয় তলায় সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে আরও বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
_____
























