নয়াদিল্লি, ৬ আগস্ট(আইএএনএস): ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়কে বৈধতা দিতে অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন (নং-৩) বিল, ২০২৬-এ অনুমোদন দিল সংসদ। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় বিলটি নিয়ে আলোচনা শেষে তা লোকসভায় ফেরত পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার লোকসভায় কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়েছিল।
বিলটি উত্থাপন করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আলোচনার জবাবে তিনি জানান, ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ শেষ হওয়া অর্থবর্ষে সংঘটিত অতিরিক্ত ব্যয়ের জন্য ভারতের সংহত তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দের সংসদীয় অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চলতি বছরের এপ্রিলে পেশ করা ৩৯তম প্রতিবেদনে দুটি অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয় চিহ্নিত করা হয়েছিল। এর মধ্যে একটি রেল মন্ত্রকের জন্য ১৯৬ কোটিরও বেশি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়, অন্যটি ঋণ পরিশোধ বাবদ ৫৩ হাজার ৮৭১ কোটি টাকার ব্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
আলোচনার সময় জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে সীতারামন জানান, ২০১৯ সালে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্র সরকার আর্থিক ও প্রশাসনিকভাবে উল্লেখযোগ্য সহায়তা দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের বেতন ও পেনশনের সম্পূর্ণ ব্যয় এখন কেন্দ্র বহন করছে, যার জন্য বছরে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়।
বিলের সমর্থনে এআইএডিএমকে-র সাংসদ এম. থাম্বিদুরাই বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বিকাশমান বৃহৎ অর্থনীতিগুলির অন্যতম। তাঁর মতে, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রশাসন, উৎপাদন শিল্প, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে সরকারের একাধিক উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে এবং সরকারি পরিষেবা মানুষের কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিচ্ছে।
তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) সাংসদ ভাষ্যম রামকৃষ্ণও বিলটির সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তাঁর দাবি, ধারাবাহিক অর্থনৈতিক সংস্কার, বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং নীতির ধারাবাহিক বাস্তবায়নের ফলেই দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী রয়েছে।



















