নয়াদিল্লি, ২৯ জুলাই: রাজ্যসভায় ত্রিপুরার জনজাতি যুব সমাজের ক্ষমতায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আবাসিক দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য্য।
এদিন তিনি বলেন, বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস সরকারের আমলে ত্রিপুরার যুব সমাজ, বিশেষ করে জনজাতি যুবকদের ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তবে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রে সরকার গঠনের পর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাশাপাশি ত্রিপুরার উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। অবকাঠামো, যোগাযোগ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একাধিক জনমুখী প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজ্যে উন্নয়নের ধারা আরও গতিশীল হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ত্রিপুরায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আবাসিক দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হলে জনজাতি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে দেশের উন্নয়নযাত্রায় আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর জনপ্রিয় রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এ ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র ‘চৌংপ্রেং’ এবং বিশিষ্ট লোকশিল্পী সূরজ কুমার দেববর্মার প্রশংসা করায় সমগ্র ত্রিপুরাবাসীর পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য্য। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই স্বীকৃতি ত্রিপুরার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে জাতীয় পর্যায়ে আরও মর্যাদা এনে দিয়েছে এবং শিল্পী-সংস্কৃতিসেবীদের অনুপ্রাণিত করবে।
তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে “বিকশিত ত্রিপুরা, বিকশিত ভারত” গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলা হয়, রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন, জনজাতি সমাজের অগ্রগতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণে এই সংকল্প ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।



















