News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • ত্রিপুরাজুড়ে সক্রিয় মৌসুমি বায়ু, ধলাইয়ের ছামনুতে সর্বোচ্চ ১৩৯.২ মিমি বৃষ্টিপাত, হলুদ সতর্কতা জারি
Image

ত্রিপুরাজুড়ে সক্রিয় মৌসুমি বায়ু, ধলাইয়ের ছামনুতে সর্বোচ্চ ১৩৯.২ মিমি বৃষ্টিপাত, হলুদ সতর্কতা জারি

আগরতলা, ৮ জুলাই: সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ত্রিপুরাজুড়ে টানা ভারী বৃষ্টিতে একাধিক জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ত্রিপুরা জুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এদিকে, আইএমডি-র তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় ধলাই জেলার ছামনুতে রাজ্যের সর্বোচ্চ ১৩৯.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে ধলাই জেলার আমবাসা (১১০.৬ মিমি), গণ্ডাছড়া (১০২.৫ মিমি), পশ্চিম ত্রিপুরার লেম্বুচড়া (১০৫.৫ মিমি) এবং আগরতলার জেলা শাসকের কার্যালয় (ডিএম অফিস) এলাকায় (১০২ মিমি)। টানা বৃষ্টিতে কয়েকদিনের অস্বস্তিকর গরম ও আর্দ্রতা থেকে স্বস্তি মিললেও, নিচু এলাকায় জল জমা, যান চলাচলে বিঘ্ন এবং পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের আশঙ্কা বেড়েছে।

পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে লেম্বুছড়ায় ১০৫.৫ মিলিমিটার, ডিএম অফিস এলাকায় ১০২ মিলিমিটার, সচিবালয় ৯৫.৫ মিলিমিটার, আগরতলা বিমানবন্দরে ৮৮.৫ মিলিমিটার, হেজামারায় ৮২.৮ মিলিমিটার এবং হাওড়ায় ৮১.৮ মিলিমিটার।

ধলাই জেলায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে ছামনুতে ১৩৯.২ মিলিমিটার। এছাড়া আমবাসায় ১১০.৬ মিলিমিটার, গণ্ডাছড়ায় ১০২.৫ মিলিমিটার এবং মনুঘাটে ১০০.২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। কমলপুরে ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেও, ছাইলেংটায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি, যা জেলার মধ্যে মৌসুমি বৃষ্টির অসম বণ্টনের চিত্র তুলে ধরেছে।

ঊনকোটি জেলায় কুমারঘাটে ৯২.৫ মিলিমিটার, নিদেবিতে ৮৫.২ মিলিমিটার, কৈলাশহরে ৫৮.৮ মিলিমিটার এবং দশমীঘাট ও নূতনবাজারে ৪৬.২ মিলিমিটার করে বৃষ্টিপাত হয়েছে।

দক্ষিণ ত্রিপুরায় সাব্রুমে ৮৭ মিলিমিটার, বাগাফায় ৫৬.২ মিলিমিটার, বিলোনিয়ায় ৫৩.৪ মিলিমিটার এবং রাজনগরে ১৯.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা ও চুড়াইবাড়িতে ৫৮.৫ মিলিমিটার করে, পানিসাগরে ৫৬.৫ মিলিমিটার এবং আশাপাড়ায় ৪৯.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

খোয়াই জেলায় বিভিন্ন এলাকায় ২৮.৪ থেকে ৫৫.৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে। গোমতী জেলার অমরপুরে ৫৫.৬ মিলিমিটার এবং উদয়পুরে ৪৫.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে সিপাহীজলা জেলায় তুলনামূলক কম বৃষ্টি হয়েছে। বিশালগড়ে মাত্র ২.৪ মিলিমিটার এবং সোনামুড়া-মোহনভোগ এলাকায় ৩৯.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ত্রিপুরার ওপর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এখনও সক্রিয় রয়েছে। আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দফায় দফায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রেখে বন্যাপ্রবণ নিম্নাঞ্চল এবং ভূমিধসপ্রবণ পাহাড়ি এলাকায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Releated Posts

রাজ্যে পড়াশুনা, খেলাধুলা এবং সংস্কৃতি চর্চা কোনও ক্ষেত্রেই প্রতিভার অভাব নেই: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ আগস্ট: যুব সমাজের মধ্যে নেশা, এইডস, সামাজিক কুসংস্কার, বাল্যবিবাহ কিংবা সামাজিক অবক্ষয়, গার্হস্থ্য হিংসার মতো…

ByByReshmi Debnath Aug 22, 2026

দিল্লিতে বিজেপির নতুন টিমের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রী মোদির

নয়াদিল্লি, ২২ আগস্ট: বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের নেতৃত্বে দলের সদ্য গঠিত নতুন টিমের সঙ্গে শনিবার দিল্লিতে দলীয়…

ByBySandeep Biswas Aug 22, 2026

উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে ‘স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান’, মধ্যস্থতাকারীর নেতৃত্বে নতুন কমিটি গঠন কেন্দ্রের

কলকাতা, ২২ আগস্ট (আইএএনএস): দার্জিলিং, কালিম্পং ও কার্শিয়ংকে ঘিরে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমস্যার ‘স্থায়ী সমাধান’ খুঁজতে…

ByBySandeep Biswas Aug 22, 2026

৯০০ আধিকারিক, ১৫৪টি শাখা, ১৫ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা: গ্রামীণ ব্যাঙ্কের অগ্রগতির প্রশংসায় সুশান্ত

আগরতলা, ২২ আগস্ট: ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের ধারাবাহিক সাফল্য ও সম্প্রসারণের ভূয়সী প্রশংসা করলেন পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।…

ByByReshmi Debnath Aug 22, 2026
Scroll to Top