News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • এমপিএলএডি তহবিল ব্যবহারে উত্তর-পূর্বে সর্বনিম্ন ত্রিপুরা, রাজ্যের সাংসদদের মধ্যে এগিয়ে বিপ্লব দেব
Image

এমপিএলএডি তহবিল ব্যবহারে উত্তর-পূর্বে সর্বনিম্ন ত্রিপুরা, রাজ্যের সাংসদদের মধ্যে এগিয়ে বিপ্লব দেব

আগরতলা, ৫ জুলাই: সাংসদ স্থানীয় এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (এমপিএলএডি) তহবিল ব্যবহারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে ত্রিপুরা। এমপাওয়ার্ড ইন্ডিয়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ত্রিপুরার অবস্থান ২২তম। রাজ্যে এমপিএলএডি তহবিল ব্যবহারের হার মাত্র ২২.৭৮ শতাংশ, যেখানে জাতীয় গড় প্রায় ৭৪ শতাংশ।

তথ্য অনুযায়ী, ত্রিপুরার তিনজন সাংসদের জন্য কেন্দ্র সরকার মোট ৪১.৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। কিন্তু এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র প্রায় ৯.৫ কোটি টাকা। তহবিল ব্যবহারের ধীরগতির প্রভাব পড়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নেও। রাজ্যজুড়ে প্রায় ১০০টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুপারিশ করা হলেও, এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়েছে মাত্র একটি প্রকল্প।

রাজ্যের তিন সাংসদের মধ্যে তহবিল ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছেন বিপ্লব কুমার দেব। তাঁর জন্য বরাদ্দ ১৪.৭ কোটি টাকার মধ্যে তিনি ব্যয় করেছেন প্রায় ৪.৬ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৩১.১২ শতাংশ। তিনি ২৯টি প্রকল্পের সুপারিশ করলেও এখনও পর্যন্ত কোনও প্রকল্প সম্পূর্ণ হয়নি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। তাঁর বরাদ্দ ১২.৩ কোটি টাকার মধ্যে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩.৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ ২৪.৯২ শতাংশ। তিনি ৫৬টি প্রকল্পের সুপারিশ করেছেন এবং তিনিই রাজ্যের একমাত্র সাংসদ, যার অধীনে একটি প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

অন্যদিকে, কৃতি দেবী দেববর্মন-এর তহবিল ব্যবহারের হার সবচেয়ে কম। তাঁর জন্য বরাদ্দ ১৪.৭ কোটি টাকার মধ্যে ব্যয় হয়েছে মাত্র প্রায় ১.৯ কোটি টাকা, যা ১২.৬৭ শতাংশ। তাঁর সুপারিশ করা ৪৯টি প্রকল্পের একটিও এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় ত্রিপুরার অবস্থান অনেকটাই পিছিয়ে। এমপিএলএডি তহবিল ব্যবহারে নাগাল্যান্ড দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ৮২.৩ শতাংশ নিয়ে। এরপর রয়েছে মিজোরাম (৭৩.৮ শতাংশ) এবং মেঘালয় (৬৩.৯ শতাংশ)। এছাড়াও সিকিম, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর ও অসম-ও ত্রিপুরার চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে।

সাম্প্রতিক এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে যে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তহবিল বরাদ্দ হওয়া সত্ত্বেও ত্রিপুরায় এমপিএলএডি প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে গতি অত্যন্ত ধীর। ফলে উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়ন ও প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Releated Posts

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ঢাকা, ২০ আগস্ট (আইএএনএস): বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে…

ByBySandeep Biswas Aug 20, 2026

ত্রিপুরা মন্ত্রিসভার বড় সিদ্ধান্ত: ৩০৫টি নতুন পদ সৃষ্টি, ১,১৭৭ জন নিয়োগে অনুমোদন

আগরতলা, ২০ আগস্ট: রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরে জনবল বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক পরিষেবা আরও শক্তিশালী করতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল ত্রিপুরা…

ByByReshmi Debnath Aug 20, 2026

ওএনজিসির রাসায়নিক বর্জ্যে ফসলের জমি ও জলাশয় ক্ষতিগ্রস্তের অভিযোগ, ক্ষতিপূরণের দাবিতে গেট অবরোধ কৃষকদের

সোনামুড়া, ২০ আগস্ট: ওএনজিসির ড্রিলিং প্রকল্প এলাকা থেকে নির্গত রাসায়নিক বর্জ্য মিশ্রিত জল কৃষিজমি ও জলাশয়ে ঢুকে ফসল…

ByByReshmi Debnath Aug 20, 2026

কিল্লামুড়ায় নতুন এসপি অফিসের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন, পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর

আগরতলা ২০ আগস্ট: দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার নতুন পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয় নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করে তা…

ByByReshmi Debnath Aug 20, 2026
Scroll to Top