বছর বাঁচাও পরীক্ষার ফলাফলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পাশের হার বেড়েছে : পর্ষদ সভাপতি

আগরতলা, ৩০ আগস্ট: বছর বাঁচাও পরীক্ষার ফলাফলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পাশের হার বেড়েছে। আজ সাংবাদিক সম্মেলনের এবিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে পর্ষদ সভাপতি ড. ধনঞ্জয় গণ চৌধুরী জানান, পাশের হার বেড়ে মাধ্যমিকে ৯৩.২ শতাংশ এবং উচ্চমাধ্যমিকে ৯২.৮৬ শতাংশ হয়েছে।

এদিন তিনি জানান, এবছর উচ্চমাধ্যমিকে পুণঃমূল্যায়ণের পর ৩৮১৭ জন ছাত্র ছাত্রী বছর বাঁচাও পরীক্ষায় বসেছিল। তিন বিভাগ মিলে মোট ৩৮১৭ জন পরীর্ক্ষার্থী বসেছিল। তাতে পরীক্ষায় পাশ করেছে ৩৩৪৫ জন ছাত্র ছাত্রী। ফেল করেছে ৪৭২ জন।

একইভাবে মাধ্যমিককে পুণঃমূল্যায়ণের পর ২৭৬৪ জন ছাত্র ছাত্রী বছর বাঁচাও পরীক্ষায় বসেছিল। পরীক্ষায় পাশ করেছে ১৮৮৮ জন ছাত্র ছাত্রী। ফেল করেছে ৬৮ জন। তাতে দেখা যাচ্ছে বছর বাঁচাও পরীক্ষার পর পাশের হার কিছুটা বেড়েছে।

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে পর্ষদ সচিব বলেন, এবছর মাধ্যমিকে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৩ হাজার ৭৩৯ জন। ফাইন্যালে পাশ করেছে মোট ২৯ হাজার ৫৫৫ জন। পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৮৭.৫৯ শতাংশ। বছর বাচাঁও পরীক্ষার পর পাশের করেছে ১৮৮৮ জন। পাশের হার দাড়িয়েছে ৯৩.২ শতাংশ।

তেমনি, এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৫ হাজার ৩৫০ জন। তারমধ্যে পাশ করেছে ২০ হাজার ৯৫ জন। পুনঃমূলায়নের পর একজন পাশ করেছে। পাশের হার ৭৯.২৭ শতাংশ। বছর বাঁচাও পরীক্ষায় পাশ করেছে ৩৩৪৫ জন। পাশের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২.৪৬ শতাংশ। বছর বাঁচাও ফলাফল পর্ষদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।

এদিন তিনি আরও বলেন, আজকে ২০২৪ সালের বোর্ড পরীক্ষার যাবতীয় কর্মকাণ্ড সমাপ্ত হলো। আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের পরীক্ষার যাবতীয় কাজকর্ম শুরু হবে।

পর্ষদের সভাপতি জানান, যেসকল ছাত্র ছাত্রী অন্য বোর্ড থেকে পাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসবে, তাদের প্রথমে ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে অনুমতি নিতে হবে।