কলকাতা, ৬ নভেম্বর (হি.স.) : সপ্তাহের প্রথমে ফের রাজনৈতিক রিলে রেসে এবার আক্রমণ করলেন শশী পাঁজা। শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, শশী পাঁজার প্রশ্নের কাঠগড়ায় পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রী থেকে শুরু করে হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
প্রায় সব রাজনৈতিক দলও একে অপরের বিরুদ্ধে ময়দানে নেমেছেন। কখনও শুভেন্দু অধিকারীর প্রশ্নের মুখে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সম্পত্তি। ফোনে সেই ছবি দিয়ে, ট্যুইটে তথ্য প্রমাণ তুলে ধরছেন। তার পরক্ষণেই দেখা গিয়েছে ময়দানে নেমেছেন কুণাল ঘোষ। তোপ দেগেছেন শুভেন্দুবাবুকে। নাম না করেই আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা ফের গর্জে ওঠেন শুভেন্দুবাবু।
সোমবার শশী পাঁজা অভিযোগ জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করে চলেছে। কিন্তু তার কোনও ফল সামনে আসছে না। পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলির সম্পত্তি নিয়ে কেন তদন্ত হচ্ছে না? জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, সৌমিত্র খাঁ, জগদম্বিকা পাল, হিমন্ত বিশ্বশর্মাদের সম্পত্তি নিয়ে তদন্ত কেন হয় না? কাঁথির অধিকারী পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে কেন তদন্ত হচ্ছে না?, গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে’ বলে অভিযোগ তাঁর।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কারও কারও ৬০, ৭০, ৮০টা নানা লোকে নানা বলে ট্রলার আছে। কত বেনামি বাড়ি আছে, কত পেট্রোল পাম্প আছে, কত কোটি কোটি টাকা আছে, তারা বড় বড় কথা বলে কী করে? আমরাও কাগজপত্র বের করছি, এতদিন করিনি।
মমতার অভিযোগ, আমরা কি দেখতে গেছি হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি যাঁরা দায়িত্বে ছিলেন আগে, মন্ত্রী থাকাকালীন, কোনটা, কোন জমিটা কত টাকায় বিক্রি করেছেন? দিঘা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বানিয়ে দিলাম ভাল কাজ করার জন্য, কত জমি দিয়েছে? ৬০০ হোটেল তৈরি হয়েছে। আমরা একবারও জানতে গেছি? জানিনি।’ পাল্টা জবাবে শুভেন্দুবাবুও সাংবাদিকদের জবাব দিয়েছেন।

