সন্তোষ ট্রফিতে হারজিতের মধ্যেইগ্রুপে ৪র্থ স্থান নিয়ে ফিরেছে ত্রিপুরা

ত্রিপুরা-‌২ লাক্ষাদ্বীপ-‌২

ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ অক্টোবর।। ছয় দলীয় গ্রুপে চতুর্থ স্থান ত্রিপুরার। সন্তোষ জনক ফলাফল করলো ত্রিপুরা। শেষ মুহুর্তে দল গড়েও। এবছর সন্তোষ ট্রফি ফুটবলে অংশ নেওয়া নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছিলো। প্রথমে দল গঠন করা হলেও ফুটবলাররা গড়হাজির থাকায় শেষ মুহুর্তে ত্রিপুরা দলের অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিলো। রাজ্য ফুটবল সংস্থার কর্তারা শেষে তরিঘরি নতুন দল গড়ে বিমানে ফুটবলারদের পাঠানো হয়েছিলো মহারাষ্ট্রের কোলাপুরে। শেষ মুহুর্তে দল গড়া কতটা সাফল্য পাবে ত্রিপুরা তা নিয়েও দেখা দিয়েছিলো প্রশ্ন। কারন দলে ছিলো একঝাঁক জুনিয়র ফুটবলাররা। ওই জুনিয়র ফুটবলাররা নিজেদের ছাপিয়ে গিয়ে ত্রিপুরার হয়ে সম্মান জনক ফলাফল করে রাজ্যে ফিরলো। আসরে ৫ ম্যাচ খেলে ১ টিতে জয়, ২ টি ম্যাচে পয়েন্ট ভাগ এবং ২ টি ম্যাচে পরাজিত হয়ে মোট ৫ পয়েন্ট দখল করলো। যা গেলোবারের তুলনায় ভালো। রবিবার নিজেদের শেষ ম্যাচে এগিয়ে থেকেও লাক্ষাদ্বীপের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগ করলো ত্রিপুরা। দলের নিয়মিত ৩ ফুটবলার আজমল রিয়াজ, মঈণুদ্দিন এবং সুরজ সিংকে রিজার্ভ ব্যাঞ্চে বসিয়েই প্রথম একাদশ গড়তে বাধ্য হয়েছেন ত্রিপুরার কোচ ডি কি প্রধান। তার উপর চোটের জন্য ভক্তিপদ জমাতিয়া সারাক্ষণ মাঠে থাকতে পারেননি। তারপরও জয় পেতে পারতো ত্রিপুরা। যদি না হাইয়ুং জমাতিয়া সহজ দুটি সুযোগ নষ্ট করতেন। ম্যাচ শুরুর ২৭ মিনিটের মাথায় রজনীকান্ত ত্রিপুরার গোলে এগিয়ে যায় ত্রিপুরা। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে সমতা ফেরায় লাক্ষাদ্বীপ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে এগিয়ে যায় লাক্ষাদ্বীপ। শেষে হাইয়ুং জমাতিয়া সমতা ফেরান। শেষ পর্যন্ত ২-‌২ গোলে ম্যাচ অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। খেলা শেষে ত্রিপুরা দলের সহকারি কোচ আবু তাহের টেলিফোনে বলেন, “প্রত্যাশার থেকে ভালো খেলেছে এবার ছেলেরা। দলে রয়েছে ৮ জন জুনিয়র ফুটবলার। ওরা এতো ভালো খেলবে ভাবতেই পারিনি। সঠিক প্রশিক্ষণ পেলে ওদের থেকেই আগামীদিনে ভালো প্রতিভা বেরিয়ে আসবে। তবে এবার আমাদের মূল সমস্যা হয়েছে আক্রমণভাগে যোগ্য ফুটবলারের অভাব। ওই জায়গায় একজন ভালো ফুটবলার যদি থাকতো তাহলে ফলাফল আরও ভালো হতো আমাদের। আমি ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে খুশি”।‌ এফ গ্রুপ থেকে মহারাষ্ট্র ও তেলেঙ্গানা মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।