কলকাতা, ২৬ এপ্রিল (হি. স.) : “পুলিশ কি হাতে বালা পরে ছিল?” কালিয়াগঞ্জে পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রশ্ন তুললেন।
গোয়েন্দাবিভাগ এবং পুলিশের ভীরুতাকেই দায়ী করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মার খাওয়ার পরেও কেন চুপ করে ছিল পুলিশ?“ এর পরেই হাতে বালা পড়ার ভর্ৎসনা করেন।
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, পুলিশের গায়ে কেউ হাত তুললে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায় থাকবে? তাঁর প্রশ্ন, গোয়েন্দা বিভাগ আগাম তথ্য দিতে ব্যর্থ হল কেন? বুধবার নবান্নতে প্রশাসনিক বৈঠক করে পুলিশ কর্তাদের দিকে এই সব প্রশ্নই ছুঁড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, ডিজি মনোজ মালব্যকে উদ্দেশ্য করেন প্রশ্ন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
গতকাল রাস্তার দু’পাশে ও থানার সামনে ব্যারিকেড দিয়েছিল পুলিশ। তবে ফোর্সে ছিলেন প্রায় ৪ হাজার। আর বিক্ষোভকারী ছিল প্রায় ৯ হাজার। তাই ব্যারিকেডে লাভ হয়নি কিছুই। চলেছিল তাণ্ডব। থানায় ঢুকে তাণ্ডব, পাথর- ইটবৃষ্টি, বোতল ছোঁড়া, আগুন লাগানো বা বোমাবাজি- বাদ ছিল না কিছুই। থানার সামনের নার্সারি, গাড়ি এবং ভেতরে থাকা সারি সারি মোটর সাইকেল ভস্মীভূত হয়ছে। পুড়েছে থানার গুরুত্বপূর্ণ নথি। এমনকী বহু পুলিশকে ঘর বন্দি করে বেধড়ক মারা হয়। রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে এবং পা দিয়ে নির্মম ভাবে মারা হয় পুলিশকর্মীদের। আশেপাশের বাড়িতে যেই সমস্ত পুলিশ আশ্রয় নিয়েছিলেন তাঁদের খুঁজেও বেধড়ক মারা হয়। ভাঙা হয় আশেপাশের বাড়ি ও দোকান। অভিযোগ স্থানীয়দের টাকা ও গয়না লুঠ করা হয়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন ছিল, কেন পুলিশ উত্তেজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি? তাঁর আরও প্রশ্ন, থানায় কী করে আগুন লাগিয়ে দিতে পারে বিক্ষোভকারীরা? বিক্ষোভকারীদের প্রতি কড়া আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর দাবি, অন্য রাজ্য থেকে বহিরাগত নিয়ে এসে তাণ্ডব চালানো হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন ছিল, কেন পুলিশ উত্তেজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি? তাঁর আরও প্রশ্ন, থানায় কী করে আগুন লাগিয়ে দিতে পারে বিক্ষোভকারীরা? বিক্ষোভকারীদের প্রতি কড়া আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর দাবি, অন্য রাজ্য থেকে বহিরাগত নিয়ে এসে তাণ্ডব চালানো হয়েছে।



















