News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • মাতাবাড়িতে দীপাবলি উৎসবের উদ্বোধনে আসার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রী অথবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর : পরিবহণ মন্ত্রী
Image

মাতাবাড়িতে দীপাবলি উৎসবের উদ্বোধনে আসার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রী অথবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর : পরিবহণ মন্ত্রী

আগরতলা, ২৫ এপ্রিল(হি.স.) : মাতাবাড়ি ত্রিপুরা সুন্দরীর মন্দির নতুন রূপে সাজানোর কাজ প্রায় ৭০ শতাংশ সমাপ্ত হয়ে গেছে। তাই, এবছর মাতাবাড়িতে দীপাবলি উৎসবের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অথবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ–র আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সবিচালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এ–বিষয়ে আশা প্রকাশ করে বলেন পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। সাথে তিনি ত্রিপুরায় পর্যটন শিল্পের রূপান্তরের জন্য ১৬০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করা হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।

এদিন সুশান্ত বলেন, প্রসাদ প্রকল্পের অধীনে বহুমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে ত্রিপুরার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র উদয়পুরে মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরকে বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরকে একটি আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলতে এবং দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য ভারত সরকার  ৩৭ লক্ষ ৮৯ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। তবে এখন পর্যন্ত রাজ্য ২১ কোটি ১৮ লাখ টাকা পেয়েছে।

এদিন তিনি বলেন, বিজেপি তার সংকল্প পত্রে  ত্রিপুরার পর্যটন খাতে ১০০০ কোটি টাকা ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তাই ত্রিপুরার পর্যটন দফতর আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং অবকাঠামো সহ পর্যটন শিল্পকে পুনর্গঠনের জন্য বহুমুখী কর্মসূচি শুরু করেছে।

ত্রিপুরায় পর্যটন ক্ষেত্রে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “‘স্বদেশ দর্শন-১’ ফেজ-১-এর অধীনে ১১টি পর্যটন কেন্দ্রের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এর মধ্যে রয়েছে- আগরতলা, সিপাহিজলা, মেলাঘর, উদয়পুর, অমরপুর, মন্দিরঘাট, তীর্থমুখ, নারকেলকুঞ্জ, ডুম্বুর, আমবাসা, বড়মুরা ইত্যাদি স্থান। তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে পর্যটন মন্ত্রক ৮২ কোটি ৮৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা মঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৭৩ কোটি ৭৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। তাতে, কাজের অগ্রগতির দিক দিয়ে প্রায় ৯৭ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে।

সাথে তিনি যোগ করেন, ত্রিপুরার পর্যটন স্থানগুলিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাতে, ধলাই জেলার অন্তর্গত কমলপুরের সুরমা চেরা জলপ্রপাত, জোলাইবাড়িতে শহীদ ধনঞ্জয় মেমোরিয়াল গার্ডেন এবং দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার অন্তর্গত বিলোনিয়ার চোট্টাখলায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান, মেলাঘরের নীরমহল, সিপাহিজলা জেলার অন্তর্গত সোনামুড়ার বৌদ্ধ স্তূপ, উত্তর ত্রিপুরা জেলার অন্তর্গত সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনপুরে জম্পুই পাহাড় এবং ঊনকোটি জেলায় প্রত্মতাত্বিক স্থল ঊনকোটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ত্রিপুরায় পর্যটন শিল্পের রূপান্তরের জন্য ১৬০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করা হবে একথা আশা ব্যক্ত করে বলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

Releated Posts

রাজ্যে যে নাস্তিকতার পরিবেশ ছিল, তা পরিবর্তন করে আমরা আস্তিকতার পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছি: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১৩ সেপ্টেম্বর: রাজ্যে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের পরিবর্তন হয়েছে বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা।…

ByByReshmi Debnath Sep 13, 2026

জাতীয় স্তরেও সম্মানের সঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী রিসা

আগরতলা, ১৩ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরার জনজাতিদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত রিসা এবার জাতীয় স্তরেও সম্মানের সঙ্গে অতিথি…

ByByReshmi Debnath Sep 13, 2026

আগরতলায় বিএসএফ ও রোটারি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে ‘সঞ্জীবনী-৩’, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১৩ সেপ্টেম্বর: সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণকে সামনে রেখে আগরতলায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং রোটারি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে…

ByByReshmi Debnath Sep 13, 2026

দুই জনজাতি যুবকের মৃত্যুকে ঘিরে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে উত্তেজনা

তেলিয়ামুড়া, ১৩ সেপ্টেম্বর: দুই জনজাতি যুবকের মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রবিবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়ায় তেলিয়ামুড়া…

ByByReshmi Debnath Sep 13, 2026
Scroll to Top