আগরতলা, ২৪ জুন : রাজধানী আগরতলা শহরের প্রবীণ নাগরিক সলিল দেববর্মা উপনির্বাচনে ভোটদানে বাধা এবং শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছিলেন। ওই ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি তীব্র ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আজ তাঁর সাথে দেখা করতে যান কংগ্রেস প্রার্থী প্রাক্তন বিধায়ক আশীষ কুমার সাহা।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দানের আহ্বান জানানো হয়েছিল। নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনকারী এবং আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এসব আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। প্রবীণ নাগরিক সলিল দেববর্মা তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়ে শুক্রবার এই মন্তব্য করেন।
এদিন তিনি বলেন শুধুমাত্র আশ্বাস, প্রতিশ্রুতি ও নির্দেশ দিলেই চলে না। সরকারি এইসব নির্দেশাবলী কঠোর ভাবে পালন করার প্রচেষ্টা থাকা দরকার। এবারের উপনির্বাচনে তা মোটেই লক্ষ্য করা যায়নি। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসন নির্দেশ দিয়েছিল সকলেই নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে তাঁর প্রতিফলন দেখা যায়নি। সকলে ভোট দিতে পারেননি, অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানতে চেয়েছেন, কোথায় গেল আইনের রক্ষকরা? কোথায় গেল পুলিশ? কোথায় গেল অবজারভাররা? প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন সবচেয়ে ভালো ভূমিকা পালন করেছে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকরা। সচেতন নাগরিকদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। তিনি বলেন, সচেতন নাগরিকরা বাধাপ্রাপ্ত হয়েও ভোটদানের প্রচেষ্টা করেছেন। এ ধরনের প্রচেষ্টা থাকা জরুরি। গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য এভাবে এগিয়ে না আসলে গণতন্ত্র রক্ষা করা যাবে না।
ভোট দিতে যাওয়ার সময় তাঁকে যেভাবে হেনস্থা করা হয়েছে তাতে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এভাবে একজন প্রবীণ নাগরিককে দৈহিকভাবে নিগৃহীত করা কোনোভাবেই উচিত হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।আজ তাঁর সাথে দেখা করতে গেছেন ৮-টাউন বড়দোয়ালি কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী আশীষ কুমার সাহা। তিনি গতকালের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন। ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

