নয়াদিল্লি, ৮ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): যাঁরা কাজ করে উত্তরাখণ্ড এবার তাঁদেরই নির্বাচিত করবে, নিন্দুকদের দিন অনেক আগেই শেষ হয়েছে। বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আমি হয়তো দিল্লিতে থাকি, কিন্তু আমার হৃদয়ে উত্তরাখণ্ডের অনেক বড় স্থান রয়েছে। আমরা এগিয়ে যেতে চাই, কিন্তু তাঁরা (কংগ্রেস) আমাদের পিছনে টেনে আনতে চায়।” মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগর ও নৈনিতালের ভোটারদের সামনে বিজয় সঙ্কল্প সভার মাধ্যমে বক্তব্য রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উত্তরাখণ্ডে এবারের ভোটের গুরুত্ব অপরিসীম এই মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এই অমৃতকালে উত্তরাখণ্ড ও দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছে, তাই এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচন এই দশককে উত্তরাখণ্ডের দশকে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই নির্বাচন আগামী ২৫ বছরের ভীত আরও মজবুত করবে।..স্বাধীনতার পরেও, উত্তরাখণ্ডের প্রতিটি গ্রাম আমাদের সাহসী মায়েরা তাঁদের সন্তানদের দেশের জন্য নিবেদিত করেছেন। আমাদের সাহসী বোনেরা দেশকে রক্ষা করার জন্য তাঁদের প্রিয়জনকে তিলক করেছেন। সেই সমস্ত আত্মত্যাগকে দেশ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।”
কংগ্রেসকে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “কংগ্রেসের উদ্দেশ্য ও নিষ্ঠা কী, তা অনুমান করা যায় তাঁদের নির্বাচনী প্রচারণা, তাঁদের স্লোগান থেকে। তাঁরা বহু দশক ধরে দিল্লিতে ক্ষমতায় ছিল, কিন্তু তখন চারধামের কথা মনে পড়েনি কেন্দ্র। এখন ডাবল ইঞ্জিনের সরকার চরধামকে দিব্য ও মহিমান্বিত করছে। চরধামের জন্য অল-ওয়েদার কানেক্টিভিটি যোগাযোগ তৈরি করা হচ্ছে।” উত্তরাখণ্ডের জনগণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “উত্তরাখণ্ডের যুবকদের জন্য, উত্তরাখণ্ডের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য, গ্রাম, দরিদ্রদের জন্য কোনও ভুল করবেন না।” প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “ইউপিএ সরকারের ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার অধীনে ৩,৮০০ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু, বিজেপি সরকার মাত্র পাঁচ বছরে ১৩,৫০০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করেছে।…এবারের বাজেটেও উত্তরাখণ্ডের আধুনিক পরিকাঠামোর ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। পর্বতমালা প্রকল্পে উত্তরাখণ্ডের রাস্তাগুলি আরও আধুনিক হতে চলেছে।” কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, “উত্তরাখণ্ডকে উৎসাহিত করার পরিবর্তে হতাশ করেছে কংগ্রেস। এখানকার চ্যালেঞ্জ, এখানকার সমস্যাকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে উত্তরাখণ্ডকে আলাদা রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া থেকে এড়িয়ে যেত। যাঁরা কাজ করেন উত্তরাখণ্ড তাঁদেরই বেছে নেবে, নিন্দুকদের দিন অনেক আগেই চলে গিয়েছে।”

