কলকাতা, ৩০ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): পশ্চিম মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান অভিযোগ করেছেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য রাজ্য পুলিশ তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। চলতি মাসের শুরুতে ২০০৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়ার পর বুধবার প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তিনি হালদিয়ার সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পান।
সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মিলন প্রধান অভিযোগ করেন, ১৮ সেপ্টেম্বর প্রচারের সময় চণ্ডীপুর থেকে সাদা পোশাকের কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক তাঁকে তুলে নিয়ে যান। তাঁর দাবি, চোখ বেঁধে গাড়িতে করে তাঁকে মন্দারমণির একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়। মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তাঁর পছন্দমতো সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মিলন বলেন, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজি না হওয়ায় তাঁকে ফের চণ্ডীপুরে নিয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
কলকাতা হাইকোর্টের জামিনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে মিলন বলেন, শীর্ষ আদালতেও রাজ্য সরকার সফল হবে না। মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের একক বেঞ্চ তাঁকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে।
নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা হবে ৯ অক্টোবর।
























