আগরতলা, ১৩ আগস্ট: যাত্রাপুর থানার পুলিশের অভিযানে লালটিলাপাড়া এলাকা থেকে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় বাড়ির মালিক বাদল চন্দ্র দে-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিকের নেতৃত্বে এলাকায় অভিযান শুরু হয়। অভিযানে থানার সমস্ত সাব-ইন্সপেক্টর এবং টিএসআর জওয়ানরা অংশ নেন। এরপর একটি বাড়ি ঘিরে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় রাত প্রায় ১টা নাগাদ বাড়িতে নির্মাণাধীন একটি নতুন বিল্ডিংয়ের ভিতরে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা একাধিক সিনটেক্সের ড্রাম উদ্ধার করে পুলিশ। ড্রামগুলির ভিতরে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের দাবি। ঘটনাস্থল থেকেই বাড়ির মালিক বাদল চন্দ্র দে-কে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বাবার নাম ননীগোপাল দে। পরে উদ্ধার হওয়া গাঁজা ও ধৃত ব্যক্তিকে যাত্রাপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশের দাবি, অভিযানের মাঝপথে পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে যাত্রাপুর থানার ওসি সোনামুড়া মহকুমার এসডিপিওকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে এসডিপিও এবং সোনামুড়া থানার ওসিও ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও টিএসআর জওয়ান মোতায়েন থাকায় কোনওরকম বাধা ছাড়াই অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয় বলে জানান ওসি পার্থনাথ ভৌমিক।
এদিকে, লালটিলাপাড়া এলাকায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। বসতবাড়ির নির্মাণাধীন অংশে মাটির নিচে এত বিপুল পরিমাণ গাঁজা কী উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পুলিশের এই অভিযানকে যাত্রাপুর থানার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় সাফল্য বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


















