বেঙ্গালুরু, ১৩ আগস্ট (আইএএনএস): কর্ণাটক বিধানসভার স্পিকার পদে বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দিলেন কংগ্রেস বিধায়ক জিএস পাটিল। মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের উপস্থিতিতে বিধানসভার সচিব বিশালাক্ষীর দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর, মন্ত্রী কে এইচ মুনিয়াপ্পা, কেপিসিসি সভাপতি ও বিধান পরিষদের সদস্য বি কে হরিপ্রসাদ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী এইচ কে পাটিল।
অন্যদিকে, কর্ণাটক বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন কংগ্রেসের বিধান পরিষদ সদস্য সেলিম আহমেদ। শুক্রবার এই পদে নির্বাচন হওয়ার কথা। মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের উপস্থিতিতে বিধান পরিষদের সচিবের দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন আহমেদ। এ সময় মন্ত্রী যতীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া, কেপিসিসি সভাপতি ও বিধান পরিষদ সদস্য বি কে হরিপ্রসাদ, বিনয় কার্তিক এবং নাগরাজ যাদব উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, বিধান পরিষদের বিরোধী দলনেতা চালাভাদি নারায়ণস্বামীর নেতৃত্বে বৈঠক করেন বিজেপির বিধান পরিষদ সদস্যরা। বৈঠকে পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় এবং চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, কর্ণাটক বিধান পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বাসবরাজ হোরাট্টি অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে বাধ্য হয়ে পদত্যাগপত্রে সই করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, যে দিন তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন, সেদিন তাঁকে পদত্যাগের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
হোরাট্টি জানান, পদত্যাগের বিষয়ে তিনি রাজ্যপালকে সমস্ত তথ্য জানিয়েছেন। তবে তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে রাজ্যপালের কাছ থেকে এখনও কোনও যোগাযোগ পাননি। তিনি বলেন, তাঁকে প্রো-টেম চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে, তার অর্থই হল তাঁর পদত্যাগ গৃহীত হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন।
রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে হোরাট্টি বলেন, তিনি কোনও অন্যায় করেননি এবং বিধানসভায় ৪৬ বছর ধরে পরিষেবা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, বাধ্যতামূলক পরিস্থিতিতে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং তিনি কোনও সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি চাননি।
হোরাট্টি আরও জানান, পদত্যাগের সময় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছিল এবং দু’জনের মধ্যে এ বিষয়ে সমঝোতাও হয়েছিল। তাঁর পরিকল্পনা ছিল, ১৩ আগস্ট শোকপ্রস্তাব পর্ব শেষ করার পর এবং ১৪ আগস্ট ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন নিজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পদত্যাগ করবেন। এই পরিকল্পনার কথা তিনি আগেই ঘোষণা করেছিলেন বলেও জানান হোরাট্টি।
— আইএএনএস



















