কর্ণাটকের স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা, অভিভাবকদেরও চাপ: উপমুখ্যমন্ত্রী শিবকুমার

বেঙ্গালুরু, ২৩ ফেব্রুয়ারি (আইএএনএস): কর্ণাটকের স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা চলছে এবং এ নিয়ে অভিভাবকদের তরফেও চাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ডি. কে. শিবকুমার।

সোমবার বেঙ্গালুরুর বাসভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “অনেক দেশেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরেও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।”

স্কুলে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহার সীমিত করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মোবাইল কীভাবে অপব্যবহার হচ্ছে, তা প্রকাশ্যে বলা সমীচীন নয়। সেই কারণেই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে।”

এদিকে কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি. পরমেশ্বর জানান, স্কুল ও কলেজে মোবাইল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ১৬ বছরের নিচে শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়া তাদের পড়াশোনায় নানাভাবে প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, “অনেক দেশ গবেষণা করে মোবাইলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মুখ্যমন্ত্রীও বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেছেন। এর ভাল-মন্দ দিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

মন্ত্রী মহাদেবাপ্পার ‘দলিত মুখ্যমন্ত্রী’ প্রসঙ্গ তোলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শিবকুমার বলেন, “তিনি আমাদের জাতীয় নেতা। এখান থেকেই তাঁকে আমার শুভেচ্ছা জানাই।”

অন্যদিকে, ন্যাশনাল ওয়াটার কোয়ালিটি স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটির রিপোর্টে বেঙ্গালুরুর হ্রদের জল পানযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার কখনও বলেনি যে হ্রদের জল পান বা স্নানের জন্য ব্যবহার করা উচিত। “এই হ্রদগুলি ভূগর্ভস্থ জলের পুনর্ভরণে সহায়ক। টিপ্পাগোন্ডানাহল্লি জলাধারের জল বেঙ্গালুরু জল সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন বোর্ড (বিডব্লিউএসএসবি) পরিশোধন করে সরবরাহ করে। বেঙ্গালুরুর হ্রদের জল পান বা স্নানের জন্য নয়,” তিনি স্পষ্ট করেন।

‘বিকসিত ভারত—গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’ আইন নিয়ে কংগ্রেসের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে শিবকুমার অভিযোগ করেন, কেন্দ্র সরকার কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেয়নি। “আগের কাজের মজুরিও এখনও মেটানো হয়নি। আইন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। শ্রমিক ও গরিবদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। এর প্রতিবাদে আমরা বড় আন্দোলনের আয়োজন করছি। চিক্কাবল্লাপুরে ‘নরেগা বাঁচাও আন্দোলন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে,” বলেন

Leave a Reply