News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • গ্রামীণ পরিকাঠামো শক্তিশালী করার জন্য বিভি – জি রাম জি আইন চালু করা হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
Image

গ্রামীণ পরিকাঠামো শক্তিশালী করার জন্য বিভি – জি রাম জি আইন চালু করা হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১১ ফেব্রুয়ারী: গ্রামীণ ক্ষেত্রে উন্নয়ন নীতিকে কেন্দ্র করে এবং দুর্নীতি রোধ করার জন্য ভিবি – জি রাম জি আইন প্রবর্তন করা হয়েছে। আজ আগরতলার স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ এবং গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের উপস্থিতিতে ‘বিকশিত ভারত – জি রাম জি আইন – ২০২৫’ প্রণয়ন উপলক্ষে জনপ্রতিনিধি সম্মেলন এবং বিভিন্ন গ্রামোন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও লাভার্থী সম্মাননা অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের নেতৃত্বে যখন এই নয়া বিভি – জি রাম জি আইন চালু হয়েছিল, তখন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ভুল তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য কাজ শুরু করেছিল।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই নতুন আইন গ্রামীণ উন্নয়নের নীতিকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল, কিন্তু বিরোধীরা নীরব ছিলেন। আমরা যদি গ্রামের উন্নয়ন না করতে পারি, তাহলে রাজ্য ও দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অবিরাম কাজ করে চলেছেন। তিনি সবসময় বলেন, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা প্রয়াস’। এমএনরেগা এর সময় মিডলম্যান ইস্যু ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা সহ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। আর এই মিডলম্যানদের (মধ্যস্বত্বভোগী) হাত থেকে শ্রমিকদের রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রী ভিবি-জি রাম জি বিল ২০২৫ উত্থাপন করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা আরো বলেন, বিরোধীরা রাম -এর অর্থ বুঝতে অপারগ, যার অর্থ হচ্ছে বিকশিত ভারত – রোজগার এবং আজীবিকা মিশন(গ্রামীণ) এর জন্য গ্যারান্টি। তারা লোকসভাতেও এনিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলেন। যাইহোক, এটি পাশ হয়ে একটি আইনে পরিণত হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে এমএনরেগা -এর ত্রুটিগুলি সংশোধন করা। এই পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী ছিল। এটি একটি সর্বোচ্চ কাজের গ্যারান্টি নিশ্চিত করবে এবং গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য অর্থায়ন করতে পারবে। এই আইনের অধীনে অবকাঠামো তৈরি করা হবে। সেই সঙ্গে জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করা হবে। আমরা দেখেছি কিভাবে কাজের নামে শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। তাই এতে আরও স্বচ্ছতা আসবে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই আইন গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং উন্নয়নের প্রতি ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন প্রতিফলিত করে। ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং দুর্নীতি কমানোর জন্য এই আইন চালু করা হয়েছিল। আগে বাধ্যতামূলক ছিল ১০০ দিন, সেই জায়গায় এখন হবে ১২৫ দিন।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব, অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়, পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী টিংকু রায়, প্রাণী সম্পদ ও তপশিল কল্যাণ মন্ত্রী সুধাংশু দাস, পঞ্চায়েত মন্ত্রী কিশোর বর্মণ, সচিব অভিষেক সিং সহ অন্যান্য বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের আধিকারিকগণ।

Releated Posts

গুণমান বজায় রেখে গড়ে তোলা হবে ক্ষেত্রমোহন স্কুল: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৩ অক্টোবর: শিশু বিহার স্কুলের মতো গুণমান বজায় রেখে গড়ে তোলা হবে ক্ষেত্রমোহন স্কুল। ইংলিশ মিডিয়াম সহ…

ByByReshmi Debnath Oct 3, 2026

সরকারি পরিষেবা ও উন্নয়নমূলক প্রকল্প মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’: সুশান্ত চৌধুরী

আগরতলা, ৩ অক্টোবর: রাজ্যের মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা, জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং উন্নয়নমূলক কর্মসূচির সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়ার…

ByByTaniya Chakraborty Oct 3, 2026

বার কাউন্সিলের জয় গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, আগামী দিনের জন্য এখান থেকেই ‘কিকস্টার্ট’: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৩ অক্টোবর: বার কাউন্সিল নির্বাচনে বিজেপি প্যানেলের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। এই…

ByByReshmi Debnath Oct 3, 2026

পুরসভা নির্বাচনে গণতন্ত্র ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনের দাবি তুলবে সিপিআইএম : জিতেন্দ্র

আগরতলা, ৩ অক্টোবর: আসন্ন পুরসভা নির্বাচনে সামনে রেখে গণতন্ত্র, নাগরিক পরিষেবা এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসনের দাবিকে সামনে রেখে মানুষের…

ByByTaniya Chakraborty Oct 3, 2026
Scroll to Top