এইমস’র সঙ্গে টেলি কনসালটিং পরিষেবার মাধ্যমে বিমল দেববর্মার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

আগরতলা, ২৮ জানুয়ারি: বর্তমানে রাজোই সরকারিভাবে চিকিৎসা পরিষেবার সমস্ত সুযোগ সুবিধা রয়েছে। রাজ্যে উপলব্ধ উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ সুবিধাগুলি গ্রহণ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে আসা সাহায্য প্রত্যাশীদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহা আহ্বান জানিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচির ৬১তম পর্বে আজও মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সাহায্য প্রত্যাশীদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন। এই কর্মসূচিতে অধিকাংশ সাহায্য প্রত্যাশীগণ চিকিৎসা, জমি সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে মুখ্যমন্ত্রীর সহায়তা চেয়ে আর্জি জানান। ফুসফুসজনিত রোগে অসুস্থ পশ্চিম ত্রিপুরার মুড়াবাড়ির বিমল দেববর্মা এসেছিলেন চিকিৎসার সাহায্যের আর্জি নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী সাথে সাথে জিবি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারের সঙ্গে কথা বলে নয়াদিল্লির এইমস’র সহায়তায় টেলি কনসালটিং পরিষেবার মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং বিনামূল্যে ওষুধপত্রের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। আমতলির অনিতা দেববর্মা দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত স্বামীর চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাইলে মুখ্যমন্ত্রী জিবি হাসপাতালে তার স্বামীর চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন। গুরুতর অসুস্থ তেলিয়ামুড়ার রেশমি তাঁতি চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন জানালে মুখ্যমন্ত্রী জিবি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারকে রেশমির চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। আগরতলার সুমন দাস, আড়ালিয়ার সঞ্চিতা দাস রায়ের কন্যার চিকিৎসা, মেলাঘরের সমীর রুদ্রপাল তার বাবার চিকিৎসা, প্রত্যেকেই তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আর্জি জানান।

মুখ্যমন্ত্রী জিবি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারের সাথে কথা বলে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। তাছাড়াও বনমালিপুরের নূপুর বণিক, কামালঘাটের কমলা ঘোষ, নলছড়ের জীবন আচার্য্য সহ আরও অনেকে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলে তাদের সমস্যা সমাধানে আশ্বস্ত হন।

আজকের এই মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রীর সচিব ড. পি. কে. চক্রবর্তী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের সচিব তাপস রায়, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ত্রিপুরার মিশন ডাইরেক্টর সাজু বাহিদ এ, স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা. দেবাশ্রী দেববর্মা, জিবি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. বিধান গোস্বামী, আইজিএম হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. কনক মন্ডল, অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. শিরমণি দেববর্মা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply