ব্যাঙ্কক ও নয়াদিল্লি, ৩ এপ্রিল (হি.স.): ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট নীতিতে থাইল্যান্ডের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। জোর দিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভারতের ইন্দো-প্যাসিফিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও থাইল্যান্ডের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। আমরা আমাদের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মধ্যে কৌশলগত সংলাপ স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা করেছি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়োংটার্ন সিনাওয়াত্রার মধ্যে বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্ককে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক হয়। পরে মোদী ও সিনাওয়াত্রার উপস্থিতিতে ভারত এবংও থাইল্যান্ডের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি বিনিময় হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “ভারত ও থাইল্যান্ডের শতাব্দী প্রাচীন সম্পর্ক আমাদের গভীর সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক বন্ধনের মাধ্যমে সংযুক্ত। বৌদ্ধধর্মের প্রসার আমাদের জনগণকে সংযুক্ত করেছে। আয়ুথায়া থেকে নালন্দা পর্যন্ত বুদ্ধিজীবীদের আদান-প্রদান হয়েছে। রামায়ণের গল্প থাই জনগণের জীবনের একটি অংশ। আমার সফরের সময়, ১৮ শতকের রামায়ণ ম্যুরাল চিত্রের উপর ভিত্তি করে একটি স্মারক ডাকটিকিট জারি করার জন্য আমি থাইল্যান্ড সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।” উল্লেখ্য, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়োংটার্ন সিনাওয়াত্রা এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ উপহার দেন। থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল আদুল্যাদেজ (নবম রাম) এবং রানী সিরিকিতের ৭০ বছরের রাজত্বের স্মরণে ২০১৬ সালে থাই সরকার এটি প্রকাশ করে।