‘চলমান সহিংসতার মূল সংগঠক মায়ানমার-ভিত্তিক কুকি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের সভাপতি হাওকিপ’
ইমফল, ১২ ডিসেম্বর (হি.স.) : কুকি-জো সংগঠগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত কংগ্রেস। তাই কুকিদের সুরে সুর মিলিয়ে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি তুলেছে কংগ্রেস, অভিযোগ করেছেন মণিপুর প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্ব।
আজ বৃহস্পতিবার ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন প্ৰদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কে শরৎকুমার সিং। তাঁর অভিযোগ, ‘সম্প্ৰতি ওয়াৰ্লড কুকি-জো ইন্টেলেকচুয়াল কাউন্সিল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং দলের নেতা রাহুল গান্ধীকে একটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরির জন্য কুকিদের রাজনৈতিক সমাধান বিল উত্থাপন করার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছিল। এই চিঠিই প্ৰমাণ করে কংগ্রেস এবং কুকি-জো সংগঠনগুলির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সংযোগ রয়েছে।’
শরৎকুমার বলেন, ‘কুকি সংগঠনগুলি যে দাবি তুলেছে, সেই একই দাবি করছে কংগ্রেসও। কুকি গ্রুপের মতো কংগ্রেসও দাবি করছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিঙের পদত্যাগ এবং রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন।’
তাঁর অভিযোগ, ‘গত (২০২৪ সাল) লোকসভা নির্বাচনের সময় কুকি ইনপি মণিপুর কুকিদের উদ্দেশ্য ফতোয়া জারি করে বলেছিল, কংগ্রেস প্রার্থীদের ভোট দিতে। কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা বিজয়ী হলে সেপারেট পলিটিক্যাল অ্যাডমিনিসট্রেশন (পৃথক রাজনৈতিক প্রশাসন) গঠন করবে। তাই কংগ্রেসকে সমর্থনের নির্দেশ দিয়েছিল কুকি ইনপি মণিপুর।’
প্রদেশ বিজেপি নেতার দাবি, ‘যারা সাসপেনশন অব অপারেশনস (এসওও) চুক্তি পালন করছে, সেই কুকি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হেরফের করতে কংগ্রেসকে সহযোগিতা করেছিল।’
প্ৰদেশ বিজেপি নেতা শরৎকুমার সিঙের আরও অভিযোগ, ‘২০২৩ সালের ৩ মে থেকে চলমান সহিংসতার মূল হোতা বা সংগঠক মায়ানমার-ভিত্তিক কুকি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের সভাপতি পিএস হাওকিপ।’ তিনি আরও বলেন, কুকি ন্যাশনাল আর্মির সক্রিয় ক্যাডারদের অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই সব ভিডিও প্রমাণ করে, রাজ্যে চলমান সহিংসতার সঙ্গে বিদেশি শক্তি জড়িত।’



















