বস্তার, ৮ এপ্রিল (হি.স.) : দরিদ্রদের কল্যাণই বিজেপি সরকারের অগ্রাধিকার। জোর দিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার ছত্তিশগড়ের বস্তারে ”বিজয় সঙ্কল্প শঙ্খনাদ” সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “অনেক দশকের পর দেশ একটি স্থিতিশীল ও শক্তিশালী বিজেপি সরকার দেখেছে। আমাদের সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হল দরিদ্রদের কল্যাণ। স্বাধীনতার পর, কংগ্রেস সরকার কয়েক দশক ধরে দরিদ্রদের চাহিদা উপেক্ষা করেছিল। কংগ্রেস কখনও গরিবের কথা চিন্তা করেনি, তাঁদের সমস্যা বোঝেনি। কংগ্রেস পরিবারের ধনী ব্যক্তিরা কখনই মুদ্রাস্ফীতির অর্থ বোঝেননি।”
বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে এই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যতক্ষণ না পর্যন্ত গরিবের সব দুশ্চিন্তা দূর করব, ততক্ষণ আমি বিশ্রাম নেব না। আমাদের সরকার দরিদ্রদের জন্য একের পর এক প্রকল্প এনেছে এবং তাঁদের অধিকার দিয়েছে। সরকারের এ সব প্রচেষ্টার ফলেই দেশের ২৫ কোটির বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “মোদী ১১ হাজারেরও বেশি জন ঔষধি কেন্দ্র খুলেছে। ৮০ শতাংশ ডিসকাউন্টে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে গরিবদের ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। সেই কারণেই এখন দেশের গরিবরা বলছেন, মোদী সরকারের উচিত ব্যয় কমিয়ে সঞ্চয় বাড়ানো।”
প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেছেন, “বিশ্বে কোভিডের মহাসঙ্কট ছিল, সবাই বলত ভারত কীভাবে বাঁচবে? ধনী কংগ্রেসের শাসনকালে দেশে ভ্যাকসিন আসতে কয়েক দশক লেগে যেত। মোদী বলেছে আমি আমার দেশের প্রতিটি গরীবের পাশে আছি। আমিও গরিবদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেব…আমিও গরিবদের বিনামূল্যে রেশন দেব। এমন এক সময়ে যখন করোনার ভ্যাকসিনের জন্য অন্যান্য দেশে হাজার হাজার টাকা খরচ হচ্ছিল, মোদী আপনাদের বিনামূল্যে টিকা দিয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী মোদী জোর দিয়ে বলেছেন, “২০১৪ সালের আগে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হতো। কংগ্রেস সরকারের আমলে দিল্লি থেকে এক টাকা বের হত, আর গ্রামে পৌঁছত মাত্র ১৫ পয়সা। বাকি ৮০ পয়সা কংগ্রেস নিজেই লুট করেছে। কংগ্রেসের এই লুটপাটের ব্যবস্থা আমি বন্ধ করে দিয়েছি। বিজেপি সরকার নিজস্ব ১০ বছরে সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৩৪ লক্ষ কোটি টাকা পাঠিয়েছে।”

